আজ ৬৫-তে পড়লেন চিরযৌবনা রেখা, জেনে নিন তাঁর সম্পর্কে কিছু তথ্য
সৌন্দর্য ও অভিনয় ক্ষমতার অসামান্য মিশ্রণ হিসেবে রেখা ভারতীয় চলচ্চিত্রে অমর হয়ে থাকবেন।
এখন রেখা একা। তবে তিনি বলেছেন, একা থাকার অর্থ সব সময় একাকীত্ব নয়। একা থাকলে আমরা নিজের হিসেবে, নিজের জন্য বাঁচতে পারি।
১৯৯০-এ রেখা বিয়ে করেন জনৈক দিল্লির ব্যবসায়ী মুকেশ আগরওয়ালকে। বিয়ের ১ বছর পর আত্মহত্যা করেন মুকেশ।
অভিনেতা বিনোদ মেহরার সঙ্গে রেখার বিয়ে হয়েছিল শোনা যায়। কিন্তু রেখা নিজে এ খবর অস্বীকার করেন।
সিলসিলা তাঁদের শেষ ছবি। শোনা যায়, তাঁদের জীবনকাহিনী নিয়ে তৈরি হয় ছবির গল্প।
প্রেম ও বিয়ে নিয়েও শিরোনামে থেকেছেন রেখা। দীর্ঘদিন অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল তাঁর। পর্দায় তাঁদের জুটি অত্যন্ত জনপ্রিয় ছিল। ইমান ধরম, গঙ্গা কি সৌগন্ধ, মুকাদ্দর কা সিকান্দর, সুহাগ ও সিলসিলা-র মত সুপার ডুপার হিট ছবি করেন তাঁরা।
এরপর তিনি জোর দেন তাঁর গায়ের রং ও হিন্দির উন্নতিতে। শ্যামলা রেখা প্রায় রাতারাতি ফর্সা হয়ে যান। শোনা গিয়েছিল, সিঙ্গাপুর থেকে রং ফর্সা করার ক্রিম আনিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু রেখা নিজে দাবি করেন, কোনও বিশেষ ক্রিম নয়, নিয়মিত যোগাসনে রং ফর্সা করেছেন তিনি।
দক্ষিণী কিছু ছবিতে অভিনয়ের পর রেখা চলে যান তৎকালীন বম্বেতে। শ্যামলা রং ও ভাঙা হিন্দির কারণে তাঁকে যথেষ্ট সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। কিন্তু সুপারহিট হয় তাঁর প্রথম হিন্দি ছবি শাওন ভাদো (১৯৭০)।
১৯৬৬-তে তেলুগু ছবি রঙ্গুলা রত্নম-এ রেখার প্রথম অভিনয়। ছবিতে তিনি ছিলেন শিশু শিল্পী হিসেবে। পরিবারের আর্থিক দুরবস্থার কারণে সিনেমায় নামতে বাধ্য হন তিনি।
বাবার সঙ্গে সম্পর্ক ছিল না রেখার। নিজেই জানিয়েছেন সে কথা।
আজ রেখার জন্মদিন। তাঁর আসল নাম ভানুরেখা গণেশন। জন্ম হয় তৎকালীন মাদ্রাজে, ১৯৫৪ সালে। বাবা জেমিনী গণেশন বিখ্যাত তামিল অভিনেতা, মা পুষ্পাবলী তেলুগু অভিনেত্রী।
সমসাময়িকরা বৃদ্ধ হয়েছেন। তাঁর এক সময়ের উত্তাল প্রেমিক অমিতাভ বচ্চন এখন ঠাকুরদার চরিত্রও করেন। কিন্তু বয়স বাড়েনি রেখার। এখনও তাঁর সৌন্দর্য হতবাক করে দেয়।