উত্তর সিকিমে আটকে পড়া ১৫০ পর্যটককে উদ্ধার করল সেনা
আরও পর্যটক আটকে আছেন কিনা, তা জানার জন্য চলছে তল্লাশি। প্রসঙ্গত, গত ২৮ ডিসেম্বর, নাথুলায় প্রায় ৩ হাজার পর্যটককে উদ্ধার করে সেনাবাহিনী। যা এখনও পর্যন্ত ওই রাজ্যে হওয়া সবচেয়ে বড় উদ্ধারকাজ।
পরে ১০৮ জনকে হোটেলে ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়। ৪২ জন সেনা ছাউনিতে থেকে যান। সেনা জানিয়েছে, পর্যটকরা মোট ৪৩টি গাড়িতে ছিল। ২৩টি গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি ২০টি ফাঁকা গাড়িকে উদ্ধার করার কাজ চলছে।
সেনার তরফে জানানো হয়, উদ্ধার হওয়া পর্যটকদের মধ্যে ১০৫ জন পুরুষ, ৩৪ জন মহিলা ও ১১ শিশু রয়েছে।
অনেকের শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরা ও উচ্চতা-সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। সেনা ছাউনিতেই তাঁদের চিকিৎসা শুরু হয়।
এক মহিলার হাত ভেঙে যাওয়ায়, তাঁর দ্রুত চিকিৎসা শুরু হয়।
উদ্ধারের পর পর্যটকদের নিয়ে আসা হয় সেনা ছাউনিতে। সেখানেই অসুস্থদের শুশ্রুষা করে সেনার মেডিক্যাল টিম।
মাইনাস ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা ও তেমনই প্রতিকূল আবহাওয়াকে উপেক্ষা করে ঘণ্টাচারেকের মধ্যে সবাইকে উদ্ধার করা হয়।
সিকিমে মোতায়েন সেনার ত্রিশক্তি কোরের অফিসার ও জওয়ানদের নিয়ে দ্রুত কুইক রিয়্যাকশন টিম (কিউআরটি) গঠন করা হয়।
লাচুংয়ে প্রায় ২ ঘণ্টা আটকে ছিলেন পর্যটকরা। খবর পেয়ে উদ্ধারকাজে নামে সেনা।
প্রবল তুষারপাত শুরু হওয়ায় লাচুংয়ের সঙ্গে সিকিমের অন্যান্য অংশের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।
উত্তর সিকিমে আটকে পড়া দেড়শো জন পর্যটককে উদ্ধার করল ভারতীয় সেনাবাহিনী।