নির্বাচন এর ফল ২০২৬
(Source: ECI/ABP News)
জানতেন? ঐশ্বর্যার বাড়ির ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন সলমন

শোনা যায়, সলমন ঐশ্বর্যাকে মারধর পর্যন্ত করেছিলেন। ঐশ্বর্যার হাতের হাড়ে নাকি চিড় ধরে যায়। শেষমেষ ২০০২-এর শেষে আলাদা হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা। তাঁরা। ঐশ্বর্যার জীবন অবশ্য থেমে থাকেনি। অভিষেক বচ্চনকে বিয়ে করেছেন তিনি, ফুটফুটে একটি মেয়েও রয়েছে তাঁদের।
এরপর তাঁদের প্রেমকাহিনীতে তিক্ততা আসতে শুরু করে। তার আসল কারণ কেউ জানেন না। তবে শোনা যায়, সলমনের পজেসিভ চরিত্র ও প্রচণ্ড ক্রোধ সম্পর্কে ভাঙনের কারণ। একবার নেশায় চুর হয়ে ঐশ্বর্যার বাড়ি আসেন তিনি। এরপর তাঁর বিরুদ্ধে অ্যাশের বাবা পুলিশে অভিযোগ করেন।
একবার মাঝরাতে সলমন অ্যাশের বাড়ি এসে তাঁকে দরজা খুলতে বলেন। না খোলায় বলেন, বহুতলটির ছাদে উঠে ঝাঁপিয়ে পড়ে আত্মহত্যা করবেন। কিন্তু ঐশ্বর্যা দরজা খোলেন পরদিন সকালে।
সলমন নাকি একবার নিজের সব বন্ধুকে নিজের বাড়িতে নেমন্তন্ন করেন, বলেন জরুরি সিদ্ধান্ত জানানোর আছে। সবাই ভেবেছিলেন, ঐশ্বর্যা, সলমন বিয়ের কথা বলবেন। সকলে সলমনের বাড়িতে অপেক্ষা করতে থাকেন কিন্তু না ঐশ্বর্যা আসেন, না সলমন।
হাম দিল দে চুকে সনম-এ এক সঙ্গে কাজ করেন ঐশ্বর্যা-সলমন। সলমনই নাকি পরিচালক সঞ্জয় লীলা বনশালীকে বলেন ঐশ্বর্যাকে নেওয়ার কথা। ছবিটি সুপারহিট হয়, অ্যাশ পান সেরা অভিনেত্রীর পুরস্কার।
এর পর ঐশ্বর্যা পান জোশ ছবির অফার। শাহরুখ খানের আগে ছবিটি করার কথা ছিল সলমন খানের। কিন্তু ঐশ্বর্যার রূপে মুগ্ধ সলমন তাঁর ভাইয়ের চরিত্রে কাজ করার অফার প্রত্যাখ্যান করেন। তখন চরিত্রটি আসে শাহরুখের হাতে।
কিন্তু ইরুভার হিট করলেও অ্যাশের হাতে কোনও বড় অফার আসছিল না। শেষমেষ পান আউর পেয়ার হো গ্যয়া, ববি দেওলের বিপরীতে। ছবি তেমন চলেনি কিন্তু তাঁর সৌন্দর্য নিয়ে যথেষ্ট চর্চা হয়।
১৯৯৭-এ সিনেমায় পা রাখেন অ্যাশ, প্রথম ছবি তামিল, মণিরত্নমের ইরুভার। তামিল জানতেন না, তাই তাঁর কণ্ঠ ডাব করা হয়েছিল।
মিস ওয়ার্ল্ড খেতাব অনায়াসে জিতলেও ভারত সুন্দরী প্রতিযোগিতা কিন্তু জিততে পারেননি অ্যাশ। সুস্মিতা সেন হারিয়ে দেন তাঁকে। চূড়ান্ত পর্যায়ে দুজনেরই পয়েন্ট ছিল ৯.৩৩, সমান সমান। তারপর দুজনকেই ফের একটি প্রশ্ন করা হয়। তখঘন ঐশ্বর্যা হেরে যান সুস্মিতার কাছে।
স্কুলে পড়াকালীনই তাঁর দেখা হয় অভিনেত্রী রেখার সঙ্গে। মায়ের সঙ্গে দোকানে কেনাকাটা করছিলেন অ্যাশ, তখন রেখা পিছন থেকে এসে তাঁর কাঁধে হাত রাখেন। বিজ্ঞাপনে তিনি দেখেছিলেন ঐশ্বর্যাকে, তাঁর সৌন্দর্যের প্রশংসা করেন ও ভবিষ্যতের জন্য শুভ কামনা জানান।
ঐশ্বর্যার রূপ যতই চোখ ধাঁধানো হোক, তাঁর ডাকনাম কিন্তু গুল্লু। হায়দরাবাদে স্কুল শুরু করলেও পরে পরিবার চলে আসে মুম্বইতে। সেখানেই শেষ করেন পড়াশোনা। নবম শ্রেণিতে পড়াকালীন করেন প্রথম বিজ্ঞাপনে কাজ। সেটা ছিল পেনসিলের বিজ্ঞাপন।
আজ ঐশ্বর্যা রাই বচ্চনের জন্মদিন। ৪৫-এ পড়লেন তিনি। চলুন, জেনে নিই তাঁর সম্পর্কে কিছু অজানা কথা।