'ঈশ্বর আসলে আমার ধৈর্য্যের পরীক্ষা নিতে চাইছে...', নিজের ক্যান্সার সম্পর্কে বলেছিলেন ঋষি কপূর
২ বছরের দীর্ঘ লড়াইয়ের অবসান। অবশেষে ক্যান্সারের কাছে হেরে এই পৃথিবীকে চিরবিদায় জানালেন ঋষি কপূর। আজ আমাদের মাঝে নেই বলিউডের এই প্রবীণ অভিনেতা। কিন্তু, এই কঠিন সফর তিনি হাসতে হাসতে পার করেছেন।
মৃত্যুর পর হাসপাতালের তরফে মেডিক্যাল বুলেটিনে বলা হয়, উনি শেষ সময় পর্যন্ত চিকিৎসা কর্মীদের সঙ্গে মজা করে গিয়েছেন। ক্যান্সারের বিরুদ্ধে তাঁর এই লড়াইয়ের কিছু ঝলক দেখে নেওয়া যাক।
ক্যান্সারের এই কঠিন সময়ে সর্বদা তাঁর ছায়াসঙ্গী হয়ে থেকেছিলেন স্ত্রী নীতু সিংহ। এই গোটা লড়াইয়ে দুজনের সম্পর্কের মধ্যে এক আলাদা রসায়ন ছিল।
বাবার কাঁধের সঙ্গে কাঁধ মিলিয়ে ছিলেন ছেলে রণবীর কপূর। এই কঠিন সময়ে গোটা কপূর পরিবার একে অপরের পাশে ছিল।
শুধু রণবীর নন, তাঁর বান্ধবী তথা অভিনেত্রী আলিয়া ভট্টও এই মুশকিল সময়ে কপূর পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
ঋষি কপূর যখন নিউইয়র্কে চিকিৎসা করাতে গিয়েছিলেন, সেই সময়ও আলিয়া তাঁর পাশে ছিলেন।
পাশে ছিলেন প্রয়াত অভিনেতার মেয়ে ঋদ্ধিমা ও তাঁর স্বামীও।
ক্যান্সার সম্পর্কে ঋষি কপূর বলেছিলেন, 'ঈশ্বর আসলে আমার ধৈর্য্যের পরীক্ষা নিতে চাইছে...'
১৯৫২ সালে মুম্বইতে পৃথ্বীরাজ কপূরের পরিবারে জন্মেছিলেন ঋষি কপূর। তাঁর বাবা ছিলেন অভিনেতা-পরিচালক রাজ কপূর।
প্রথম ছবি 'মেরা নাম জোকার'-এর জন্য জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছিলেন ঋষি কপূর।