গাড়ি বা বাইক চালানোর সময় সিটবেল্ট, হেলমেট পরেন তো? না হলে সতর্ক হন
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, সারা বিশ্বেই গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোনে কথা বলা, অত্যধিক গতিতে গাড়ি চালানো বা নেশা করে গাড়ি চালানোর ফলে দুর্ঘটনার সংখ্যা বেড়ে চলেছে। ছবি সৌজন্যে গুগল ফ্রি ইমেজ
তথ্য বলছে, অত্যধিক গতিতে গাড়ি বা বাইক চালানোর ফলে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন ৬৭ শতাংশ ব্যক্তি। ২২,৪২৮ জনকে কোনও গাড়ি বা বাইক ধাক্কা মেরেছে। নেশাগ্রস্ত অবস্থায় গাড়ি চালানোর ফলে মৃত্যু হয়েছে ৪,৭৭৬ জনের। ছবি সৌজন্যে গুগল ফ্রি ইমেজ
পথ নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞদের মতে, কী কারণে দুর্ঘটনা ঘটছে, সেই বিষয়টি খুঁজে বার করার উপর সবচেয়ে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। ২০১৬ থেকে এক্ষেত্রে নজরদারি ও সচেতনতামূলক প্রচার চলছে। ছবি সৌজন্যে গুগল ফ্রি ইমেজ
গাড়ি বা বাইক চালানোর সময় মোবাইল ফোনে কথা বলার জেরে দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে উত্তরপ্রদেশে। ছবি সৌজন্যে গুগল ফ্রি ইমেজ
বাইকে চালকের পিছনে বসে থাকা যত ব্যক্তি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন, তাঁদের ৪২ শতাংশই হেলমেট পরেননি। এক্ষেত্রে সবার আগে গুজরাত। সিটবেল্ট না পরার ফলে দুর্ঘটনায় সবচেয়ে বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে কর্ণাটকে। ছবি সৌজন্যে গুগল ফ্রি ইমেজ
শুধু দিল্লিই না, তামিলনাড়ু, উত্তরপ্রদেশ, মধ্যপ্রদেশ সহ দেশের বিভিন্ন রাজ্যেই হেলমেট না পরে বাইক চালানোর ফলে প্রতি বছর দুর্ঘটনার শিকার হচ্ছেন হাজার হাজার মানুষ। ছবি সৌজন্যে গুগল ফ্রি ইমেজ
দিল্লি পুলিশ ও সড়ক পরিবহণ বিভাগের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ২০১৬ সালে পথ দুর্ঘটনায় ১.৫১ লক্ষ জনের মৃত্যু হয়। গত বছর সেই সংখ্যাটা সামান্য কমে হয় ১.৪৮ লক্ষ। ছবি সৌজন্যে গুগল ফ্রি ইমেজ
গত বছরই গাড়ি বা বাইক চালানোর সময় মোবাইল ফোনে কথা বলার জেরে দুর্ঘটনার ফলে রোজ গড়ে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। ছবি সৌজন্যে গুগল ফ্রি ইমেজ
একটি রিপোর্ট অনুযায়ী, গত বছর হেলমেট না পরে বাইক চালানোর ফলে দুর্ঘটনায় রোজ গড়ে ৯৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। গাড়ি চালানোর সময় সিটবেল্ট না বাঁধার ফলে দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন রোজ গড়ে ৭৯ জন। ছবি সৌজন্যে গুগল ফ্রি ইমেজ
গাড়ি চালানোর সময় সিটবেল্ট বাঁধেন তো? বাইক চালানোর সময় হেলমেট পরেন তো? না হলে সতর্ক হয়ে যান। নিয়ম মেনে গাড়ি ও বাইক চালান। না হলে বিপদে পড়তে হতে পারে। ছবি সৌজন্যে গুগল ফ্রি ইমেজ