দুবাই: ভারতের পেস বোলিং বিভাগকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন তিনি। যশপ্রীত বুমরার (Jasprit Bumrah) অনুপস্থিতিতে তাঁর কাঁধেই ভারতের জোরে বোলিংয়ের দায়িত্ব। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (Champions Trophy) ফাইনালের আগে সেই মহম্মদ শামিকেই সমালোচনার মুখে পড়তে হল? তাও আবার ধর্ম নিয়ে?

আসছে খুশির ঈদ। তার আগে, ১ মার্চ থেকে পবিত্র রমজান মাস শুরু হয়ে গিয়েছে। রমজান মাসে মুসলিমরা প্রত্যেকদিন রোজা রাখেন। রমজান মাসে সকালে সেহরি দিয়ে শুরু হয় দিন। সূর্যাস্তের পর ইফতারের মাধ্যমে রোজা ভাঙা হয়। দিনের বাকি সময়টা আর কিছু খাওয়া যায় না। নির্জলা উপবাস করেন মুসলিমরা। 

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে মহম্মদ শামির একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। যে ছবিতে শামিকে দেখা যাচ্ছে বোতল থেকে জলপান করতে। সেই ছবি দেখে কট্টরপন্থীদের অনেকে তোপ দেগেছেন শামির দিকে। বলাবলি শুরু হয়েছে, রোজা পালন করছেন না মুসলিম শামি। কেউ কেউ তো দক্ষিণ আফ্রিকার প্রাক্তন ক্রিকেটার হাশিম আমলার সঙ্গে শামির তুলনা টেনেছেন। নেটিজনেদের মধ্যে একজন লিখেছেন, 'হাশিম আমলা রমজানের সময় উপবাস রেখেই অসাধারণ খেলেছিলেন। মহম্মদ শামির উচিত আমলার মানসিক দৃঢ়তা এবং আত্মবিশ্বাসকে অনুসরণ করা।'

 

যদিও এই বিতর্কে শামির পাশে ক্রিকেটপ্রেমীরা। জাতি-ধর্ম নির্বিশেষে সকলে ভারতের তারকা পেসারকে সমর্থন করেছেন। বরং ধিক্কার জানানো হচ্ছে কট্টরপন্থীদের। অনেকেই লেখালিখি করছেন, দেশের স্বার্থে শামি যেভাবে মাঠে নিজেকে নিংড়ে দিচ্ছেন, তাতে তাঁর বাহবা প্রাপ্য। বাংলার হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেট খেলা ডানহাতি পেসারকে এভাবে আক্রমণ করার তীব্র নিন্দা করেছেন বেশিরভাগ মানুষই। 

আরও পড়ুন: ইডেনে কবে শুরু কেকেআরের প্র্যাক্টিস? রাসেল-নারাইনরা শহরে আসছেন কবে?

শামি নিজে অবশ্য সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রোল নিয়ে ভাবতে নারাজ। আগেও তিনি এ নিয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিয়েছিলেন। বলেছিলেন, 'এখনকার দিনে সোশ্যাল মিডিয়া মনকে অযথা বিব্রত করে তোলে। আমি এসব নিয়ে ভাবতেই রাজি নই। মানুষ খারাপ পারফরম্যান্স দিয়ে আপনাকে দমিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করবে, চিমটি কাটবে। তবে আমার মনে হয় খেলোয়াড়দের এসব মাথায় রাখারই দরকার নেই।'