করাচি: টি-২০ ক্রিকেটে তারা জায়ান্ট কিলার। অনেক অঘটন ঘটিয়েছেন। গোটা বিশ্বের বিভিন্ন দেশের টি-২০ টুর্নামেন্টে চুটিয়ে খেলছেন তাদের ক্রিকেটারেরা। কিন্তু ওয়ান ডে ক্রিকেটে বড় টুর্নামেন্টে ভাল কিছু করে দেখানোর পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারল না আফগানিস্তান। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (Champions Trophy) প্রথম ম্যাচে দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে ১০৭ রানের বিশাল ব্যবধানে পরাজিত হলেন রশিদ খানরা। সেই সঙ্গে টুর্নামেন্টের গ্রুপ পর্ব থেকে আফগানদের বিদায় নেওয়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়ে গেল।
এমনিতেই আফগানিস্তান রয়েছে গ্রুপ অফ ডেথে। কারণ, আফগানিস্তানের সঙ্গে গ্রুপ বি-তে রয়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। তিন প্রবল শক্তিশালী প্রতিপক্ষ। আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির নিয়ম হল, দুটি গ্রুপ থেকে সেরা দুটি করে দল যাবে সেমিফাইনালে। প্রত্যেক দলের হাতে থাকে তিনটি করে ম্যাচ। সেমিফাইনালে যেতে হলে মোটামুটিভাবে দুটি ম্যাচে জিততেই হবে। দক্ষিণ আফ্রিকার কাছে বিরাট ব্যবধানে পরাজয়ের পর শেষ চারের দৌড়ে থাকতে হলে অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডকে হারাতেই হবে আফগানদের। যে কাজ সহজ হবে না।
আরও পড়ুন: দুর্গাপুর এক্সপ্রেসওয়েতে গাড়ি দুর্ঘটনার কবলে পরেছিলেন, এখন কেমন আছেন সৌরভ?
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার যোগ্যতা পায় আইসিসি-র ওয়ান ডে ব়্যাঙ্কিংয়ের প্রথম আটে থাকা আট দল। আর সেই মাপকাঠিতেই শ্রীলঙ্কা, ওয়েস্ট ইন্ডিজের মতো দলকে টপকে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার যোগ্যতা পেয়েছে আফগানিস্তান। মনে করা হয়েছিল, মূল পর্বেও চমক দেবে আফগানিস্তান। তবে টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে অন্তত প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ আফগানিস্তান।
শুক্রবার করাচির ন্যাশানল ক্রিকেট স্টেডিয়ামে গ্রুপ বি-র ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা ও আফগানিস্তান। টস জিতে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় দক্ষিণ আফ্রিকা। শুরু থেকেই ঝড় তোলেন তাদের ওপেনার রায়ান রিকেলটন। ১০৬ বলে ১০৩ রান করেন তিনি। পরের চার ব্যাটারের মধ্যে তিনজন করেন হাফসেঞ্চুরি। তেম্বা বাভুমা, রাসি ফান দার দাসেন ও এইডেন মারক্রাম। প্রথমে ব্যাট করে প্রোটিয়ারা তোলেন ৩১৫/৬।
জবাবে ব্যাট করতে নেমে ৪৩.৩ ওভারে ২০৮ রানে অল আউট হয়ে যায় আফগানিস্তান। একমাত্র লড়াই করলেন রহমত শাহ। ৯০ রান করেন তিনি। বাকিরা সকলেই ব্যাট হাতে ব্যর্থ। তিন উইকেট কাগিসো রাবাডার। ম্যাচের সেরা রিকেলটন।
আরও পড়ুন: ইস্পাত কারখানা কবে তৈরি হচ্ছে? বড় আপডেট দিলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়