মেলবোর্ন: অস্ট্রেলিয়ার বিশ্বজয়ী দলের অঙ্গ ছিলেন। তাঁর প্রতিভা ছিল প্রশ্নাতীত। অনেকেই তাঁকে সবথেকে স্টাইলিশ ব্যাটারদের তালিকায় একেবারে শীর্ষে রাখেন। সেই ড্যামিয়েন মার্টিনই (Damien Martyn) মৃত্যুশযায়। মৃত্যুর সঙ্গে রীতিমতো পাঞ্জা লড়ছেন তিনি।

Continues below advertisement

মেনিনজাইটিসে আক্রান্ত হয়েছেন মার্টিন। দ্রুত তাঁকে মেলবোর্নের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে জানা যায় তিনি কোমায় চলে গিয়েছেন। মাত্র ৫৪ বছর বয়সেই মার্টিনের জীবন অনিশ্চিত। এমন খবরে স্বাভাবিকভাবেই ক্রিকেটমহল উদ্বিগ্ন, শোকে বিহ্বল। তবে সমর্থকদের জন্য খানিকটা হলেও আশার খবর শোনালেন মার্টিনের প্রাক্তন সতীর্থ তথা কিংবদন্তি অস্ট্রেলিয়ান ক্রিকেটার অ্যাডাম গিলক্রিস্ট (Adam Gilchrist)।

Fox Cricket-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে গিলক্রিস্ট জানান ড্যামিয়েন মার্টিন এখনও হাসপাতালেই রয়েছেন বটে, তবে তাঁর ক্ষেত্রে ইতিবাচক ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে। তিনি জানান, 'ও এখনও হাসপাতালেই রয়েছে। ওর বিষয়ে আরও তথ্য হাতে এলে অবশ্যই জানানো হবে, তবে বিগত ২৪ ঘণ্টায় ওরা না না পরীক্ষায় কিছু ইতিবাচক ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে। ওর বিষয়ে জানতে প্রচুর লোক আগ্রহী এবং প্রচুর লোকজন ওকে ভালবাসা জানিয়েছে। দারুণ খেলোয়াড় এবং দুরন্ত মানুষ। আমি খালি আশা করছি ও যেন সুস্থতার পথে নিজের এই সফরটা অব্যাহত রাখে।'

Continues below advertisement

গোল্ড কোস্ট হেল্থের তরফে এক মুখপাত্র বুধবার ড্যামিয়েন মার্টিনের স্বাস্থ্যের বিষয়ে আপডেট দিতে গিয়ে বলেন, 'ড্যামিয়েন মার্টিন এখনও গোল্ড কোস্ট ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে বেশ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থাতে রয়েছে।' 

২৬ ডিসেম্বর, বক্সিং ডে-তে মেলবোর্নে মুখোমুখি হয়েছিল অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ড। সেদিনই বক্সিং ডে টেস্ট নিয়ে নিজের রোমাঞ্চের কথা সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছিলেন মার্টিন। সেদিনই তিনি অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন। খবরটি প্রথম প্রকাশ্যে আনেন ব্রডকাস্টার ব্র্যাড হার্ডি। একটি রেডিও অনুষ্ঠানে তিনি প্রথম জানান যে, মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছেন মার্টিন।

মার্টিনের অসুস্থতার খবর শুনে উদ্বিগ্ন অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন ক্রিকেটারেরাও।  অস্ট্রেলিয়ার প্রাক্তন ক্রিকেটার ও কোচ ড্যারেন লেম্যান সোশাল মিডিয়ায় লিখেছেন, 'ড্যামিয়েন মার্টিনের জন্য প্রার্থনা রইল। শক্তিশালী থেকো। কিংবদন্তির মতো লড়াই চালিয়ে যাও বন্ধু।' বিশ্বকাপ জিতেছেন, অস্ট্রেলিয়ার স্বর্ণযুগের অন্যতম সদস্যও তিনি। ক্রিকেটার হিসাবে নিজের কেরিয়ারে প্রচুর ম্যাচ জিতেছেন। এবার জীবনযুদ্ধে তাঁর জয়ী হওয়ার আশায় রয়েছেন সকল ক্রিকেটপ্রেমী।