করাচি: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে লজ্জার পারফরম্যান্স ছিল পাকিস্তান ক্রিকেট দলের। এরপর কিউয়িদের বিরুদ্ধে টি-টোয়েন্টি সিরিজে ১-৪ ব্যবধানে হারতে হয়েছে। এমনকী ওয়ান ডে ফর্ম্যাটেও প্রথম ম্য়াচে হারতে হয়েছে পাকিস্তান শিবিরকে। একসময় এশিয়ান ক্রিকেট জায়ান্টদের হঠাৎ এমন অধঃপতনে ক্ষুব্ধ প্রাক্তন পাক ক্রিকেটার ও কোচ বসিত আলি। প্রাক্তন পাক অধিনায়ক বাবর আজমের ব্যাটিং নিয়েও মন্তব্য করেছেন তিনি।
প্রথম ওয়ান ডে ম্য়াচে ৩৪৪ রান প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে বোর্ডে তুলে নিয়েছিল কিউয়িরা। জবাবে রান তাড়া করতে নেমে ৮৩ বলে ৭৮ রানের ইনিংস খেলেন বাবর। তিনি যতক্ষণ ক্রিজে ছিলেন ততক্ষণ পাকিস্তানের জয়ের সম্ভাবনা ছিল। কিন্তু তিনি ফিরতেই মুহূর্তেই দলের স্কোর ২৪৯/৪ থেকে ২৭১ এ অল আউট হয়ে যায়। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ওপেনিংয়ে নেমেছিলেন বাবর। যা দেখে একেবারেই সহমত পোষন করেননি বসিত আলি। কিউয়িদের বিরুদ্ধে তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে রান পেয়েছেন বাবর। নিজের ইউটিউব চ্যানেলে বসিত বলছেন, ''এখন বাবর কেন তিন নম্বরে ব্যাটিং করতে এল? কোথায় সেই ক্রিকেট বোদ্ধারা যাঁরা বলেছিল যে বাবরের ওপেনে ব্যাটিং করা উচিৎ। বাবর চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ওপেনিংয়ে নেমে রান পাননি। এখন কী হল? সেই সময় যাঁরা ক্রিকেট বোদ্ধা হয়ে বাবরের ওপেনিংয়ে নামার স্বপক্ষে মন্তব্য করেছিল, তাঁদের জুতো মারা উচিৎ।'' তিনি আরও বলেন, ''যেই মানুষটা বাবর ও রিজওয়ানকে ওপেনিংয়ে নামিয়ে তাঁদের ওপেনার বানাতে চেয়েছিলেন, তিনি পাকিস্তান ক্রিকেটকে ধ্বংস করছেন। এটা একটা ফ্র্যাঞ্চাইজি টিম হয়ে গিয়েছে এখন।''
এদিকে, প্রথম ওয়ান ডে ম্য়াচে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জ্বলে উঠলেন এক পাকিস্তানি বংশোদ্ভূত ক্রিকেটারই। নাম মহম্মদ আব্বাস। অভিষেক ওয়ান ডে ম্য়াচে ২১ বলে অর্ধশতরান হাঁকিয়ে রেকর্ডও গড়েছেন তিনি। লাহোরে জন্ম এই মহম্মদ আব্বাসের। ক্রিকেট খেলা পরিবারেই জন্ম। বাবা আজহার আব্বাস পাকিস্তানের ঘরোয়া ক্রিকেটে ৪৫ টি ম্য়াচ খেলেছিলেন। এরপরই নিউজিল্যান্ড পাড়ি জমান গোটা পরিবার নিয়ে। মহম্মদ আব্বাস এখনও পর্যন্ত অকল্যান্ড ও ওয়েলিংটনের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ঝোড়ো অর্ধশতরান আন্তর্জাতিক মঞ্চে সুনাম কুড়িয়ে নিয়েছে।
প্রথম ওয়ান ডে ম্য়াচে ৭৩ রানে পাকিস্তানকে হারিয়ে দিয়েছে নিউজিল্যান্ড। ম্য়াচে মার্ক চাপম্য়ান ১১১ বলে ১৩২ রানের ইনিংস খেলেন। নিজের ইনিংসে ১৩টি বাউন্ডারি ও ৬টি ছক্কা হাঁকান কিউয়ি। প্লেয়ার অফ দ্য ম্য়াচও তিনিই পেয়েছেন। ড্যারেল মিচেল ৭৬ রান করেন।