মুম্বই: ২০২০ সালে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছিলেন। এরপর থেকে আইএসএলে খেললেও দেশের জার্সিতে আর খেলতে দেখা যায়নি মহেন্দ্র সিংহ ধোনিকে। আগামী আইপিএলেও চেন্নাই সুপার কিংসের জার্সিতে খেলতে দেখা যাবে এমএসডিকে। কিন্তু আদৌ কি কখনও কমেন্ট্রিতে দেখা যাবে মহেন্দ্র সিংহ ধোনিকে। কিন্তু সেই সম্ভাবনায় এক প্রকার জল ঢেলে দিয়েছেন এমএসডি।

Continues below advertisement

জতীন সপ্রুকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ৪৪ বছরের প্রাক্তন বিশ্বজয়ী ভারত অধিনায়ক জানিয়েছেন, ''ধারাভাষ্য আমার জন্য খুবই শক্তিশালী। খেলার বিবরণ দেওয়া ও তা করতে গিয়ে যাঁরা খেলছে, তাঁদের সমালোচনা করাটা আমার জন্য সত্যিই কঠিন। এটাও একটা শিল্প। খুব সাবধানে সতর্কভাবে পুরো বিষয়টি তুলে ধরতে হবে, তা আলাদা করে যাতে কেউ মনে আঘাত না পায়। ধারাভাষ্যের এই শিল্পটাই আমার মধ্যে মনে হয় না আছে। কেউ খারাপ পারফর্ম করলে বা কেউ হারলে যেভাবে নিজেকে তা বর্ণনা করতে হয়, তা মাথায় রাখতে হয়।''

এমএসডি আরও জানিয়েছেন, ''আমি সংখ্যা, পরিসংখ্য়ান এই বিষয়গুলোয় ভীষণ কাঁচা। তাই আমি তো বলতেই পারব না সেগুলো ধারাভাষ্য দেওয়ার সময়। অনেকের ঠোঁটের ডগায় থাকে পরিসংখ্যান। আমি আমার পরিসংখ্যানই ঠিক করে বলতে পারব না। কিন্তু অনেকেই দেখি ভারতীয় দলের শুধু নয়, বিশ্বের বিভিন্ন ক্রিকেট দলের অনেক পরিসংখ্যান সম্পর্কেই দারুণভাবে অবগত।''

Continues below advertisement

ফোন সেভাবে ব্য়বহার করেন না। সোশ্য়াল মিডিয়া থেকেও শতহাত দূরে থাকতেই ভালবাসেন। সেই প্রসঙ্গেও ধোনির বক্তব্য, ''আমি খুব একটা ভাল কথা বলতে পারি না। আমি সোশ্য়াল মিডিয়াতেও স্বপ্রতিভ নই। ফোনে কথা বলতেও ভাল লাগে না। কারণ উল্টোদিকের মানুষটাকে দেখতে পারি না। তাই ওটা আমার অস্বস্তি লাগে। এই বিষয়ে নিজেকে পাল্টানোর চেষ্টা করেছিলাম, কিন্তু পারিনি।''

সুনীল গাওস্কর আইসিসিকে কী বার্তা দিচ্ছে?কিংবদন্তি ভারতীয় ওপেনার সুনীল গাওস্কর মনে করেন যে, ICC-কে এবার এই “বিশেষ ব্যবস্থা” বন্ধ করে দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, ভারত ও পাকিস্তানকে একই গ্রুপে রাখার কোনও বাধ্যবাধকতা থাকা উচিত নয়। ড্র সাধারণ প্রক্রিয়া মেনেই হওয়া উচিত, যেমনটা বাকি দলগুলির ক্ষেত্রে হয়। তাঁর মতে, ২০০৭ সালের টি-২০ বিশ্বকাপে দুই দল একই টুর্নামেন্টে ছিল, কিন্তু তারপরও মুখোমুখি হয়নি। এরপর থেকেই ICC চেষ্টা শুরু করে যে, দুই দেশকে একই গ্রুপে রাখা যায় কি না, যাতে দুই দলের মধ্যে ম্যাচ করানো সম্ভব হয়। গাওস্কর স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন যে, বর্তমান পরিস্থিতিতে ভারতের পাকিস্তানের বিরুদ্ধে খেলা নিয়ে কোনও চাপ নেই। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের রেকর্ড বেশ ভাল। যদি পাকিস্তান ম্যাচ না খেলে, তাহলে ভারত সরাসরি ২ পয়েন্ট পাবে এবং দলের কোনও ক্ষতি হবে না। গাওস্কর এও বলেছেন যে, সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হল, পাকিস্তান সরকার এই সিদ্ধান্ত কেন নিল। তিনি ইঙ্গিত করেছেন যে, আগামী দিনে এই সিদ্ধান্তের আসল কারণ সামনে আসতে পারে।