লাহোর: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (Champions Trophy 2025) ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নিয়েছে আফগানিস্তান। বলা যেতে পারে চলতি টুর্নামেন্টের সবচেয়ে রোমহর্ষক ম্য়াচ হয়েছে এই দুই দলের মধ্যে। জস বাটলারের দলকে ছিটকে গিয়ে সেমিফাইনালে জায়গা করে নেওয়ার পথে অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে আফগান শিবির। লাহোরে গদ্দাফি স্টেডিয়ামে আফগানদের জয়ের সবচেয়ে বড় নায়ক ছিলেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই। ইংল্যান্ডকে ৮ রানে হারিয়ে দিয়েছিল আফগানিস্তান সেই ম্য়াচে। 

ম্য়াচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ৩১ বলে ঝোড়ো ৪১ রানের ইনিংস খেলেন ওমরজাই। আফগানিস্তান দ্রুত ৩ উইকেট হারিয়ে ফেললেও পরে বোর্ডে ৩২৫/৭ তুলে নেয়। যার অন্যতম কারিগর ছিলেন ওমরজাই। এরপর বল হাতে ৫৯ রানের বিনিময়ে ৫ উইকেট ঝুলিতে পুরে নেন। তাঁর ঝুলিতে ছিল ফিল সল্ট, জস বাটলার, জো রুট, জেমি ওভার্টন ও আদিল রশিদের উইকেট। 

বিশ্বের প্রথম প্লেয়ার হিসেবে ৪০+ স্কোর ও বল হাতে ৫ উইকেট নিয়েছেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির একটি খেলায়। এছাড়া টুর্নামেন্টের ইতিহাসে পঞ্চম বোলার যিনি বল হাতে পাঁচ উইকেট নিয়েছিলেন। তাঁর আগে কালিস, এনতিনি, ওরাম, ম্য়াকগ্রা এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন। 

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির মাঝেই কী বার্তা স্টার্কের?

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগেই সরে দাঁড়িয়েছিলেন অস্ট্রেলিয়ার তারকা পেসার মিচেল স্টার্ক (Mitchell Starc)। কেরিয়ারে বেশিরভাগ আইসিসি ট্রফিই জিতেছেন। টি-২০ বিশ্বকাপ থেকে শুরু করে ওয়ান ডে বিশ্বকাপ, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ - সবই জিতেছেন। একমাত্র চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিই নেই তাঁর সাফল্যের ঝুলিতে। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে তিনি সরে দাঁড়ানোর পর উদ্বেগ তৈরি হয়েছিল দিল্লি ক্যাপিটালস শিবিরে। যে দলের হয়ে পরের আইপিএলে খেলবেন স্টার্ক। প্রশ্ন তৈরি হয়ে গিয়েছিল, আইপিএলে খেলবেন তো স্টার্ক? তাঁর চোট রয়েছে কি না, তা নিয়েও তৈরি হয়েছিল সংশয়।

নিজেই ধোঁয়াশা কাটিয়ে দিলেন অজি ফাস্টবোলার। প্যাট কামিন্স, মিচেল মার্শ, জস হ্যাজলউড, ক্যামেরন গ্রিনরা যখন চোটের জন্য চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন, তিনিও সরে দাঁড়ান। শ্রীলঙ্কা সিরিজের মাঝপথে স্টার্ক জানিয়েছিলেন যে, তিনি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলবেন না। অস্ট্রেলীয় ক্রিকেট বোর্ডও এরপর বিজ্ঞপ্তি দিয়ে জানিয়ে দেয় যে, ব্যক্তিগত কারণেই স্টার্ক খেলতে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে চান না।