লাহোর: ২০১৫ ওয়ান ডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল। মুখোমুখি দক্ষিণ আফ্রিকা ও নিউজিল্যান্ড। ডেল স্টেনের বলে লং অনের ওপর দিয়ে ছক্কা হাঁকিয়ে কিউয়িদের ফাইনালে তুলেছিলেন গ্রান্ট এলিয়ট। সেদিন চোখের জল ফেলেছিলেন এবি ডিভিলিয়ার্স, মর্নি মর্কেল, ফাফ ডু প্লেসিরা। এরপর ১০ বছর কেটে গিয়েছে। ফের একবার আইসিসি ইভেন্টের সেমিফাইনালে মুখোমুখি ২ দল। সেদিনের ম্যাচে খেলা ৩ প্লেয়ার আজকের সেমিফাইনালেও মাঠে নামবেন। তাঁরা হলেন নিউজিল্য়ান্ডের কেন উইলিয়ামসন ও ম্য়াট হেনরি। দক্ষিণ আফ্রিকার ডেভিড মিলার।
১০ বছর আগের সেই হারের পর থেকে এই প্রথমবার কোনও আইসিসি ইভেন্টের নক আউটে মুখোমুখি হতে চলেছে দুটো দল। মধুর প্রতিশোধ নেওয়ার পালা এবার প্রোটিয়া শিবিরের কাছে। এমনিতেই চলতি টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছে প্রোটিয়া শিবির। শেষ লিগ ম্য়াচে ইংল্যান্ডকেও হারিয়ে দিয়েছে তাঁরা। গ্রুপ বি-তে শীর্ষে থেকেই শেষ চারে পা রেখেছিল তেম্বা বাভুমার দল।
দক্ষিণ আফ্রিকা তাঁদের শেষ দুটো ম্য়াচেই জিতেছে। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে বিশাল ১০৭ রানে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল তারা রাওয়ালপিণ্ডিতে। অন্য়দিকে ইংল্য়ান্ডের বিরুদ্ধে সাত উইকেটে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল বাভুমার দল। নিউজিল্যান্ড আবার ভারতের বিরুদ্ধে নিজেদের শেষ লিগের ম্য়াচ হের গিয়েছিল।
দুটো দলের মধ্যে তফাৎ গড়ে দিতে পারে নিউজিল্যান্ডের বোলিং লাইন আপ। মিচেল স্যান্টনার নিজে স্পিনার। এছাড়াও ম্য়াট হেনরি, ও রুরকি ও মাইকেল ব্রেসওয়েল গোটা টুর্নামেন্টেই দুর্দান্ত বোলিং করেছেন। শেষের তিন জনই টুর্নামেন্টের সর্বাধিক উিকেট শিকারির তালিকায় প্রথম দশে রয়েছেন। অন্য়দিকে দক্ষিণ আফ্রিকা শিবিরে রয়েছেন শুধুমাত্র উইয়ান মুলডার। যিনি এই তালিকায় রয়েছেন। কেশব মহারাজ কম রান হজম করলেও উইকেট সেভাবে তুলতে পারছেন না।
প্রোটিয়া শিবিরে এইডেন মারক্রামের চোট নিয়ে একটা শঙ্কা ছিল। যদিও সেমিফাইনালের আগেই তিনি সুস্থ হয়ে উঠেছেন পুরোপুরি, এমনটাই শোনা যাচ্ছে। অন্যদিকে, কিউয়িদ শিবিরে জেমিসন ও নাথান স্মিথের মধ্যে লড়াই হতে পারে প্রথম একাদশে ঢোকার। সেক্ষেত্রে ব্যাটের হাত বেশি ভাল হওয়ায় স্মিথের সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
এদিকে, ভারতের বিরুদ্ধে সেমিফাইনালে হেরে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি থেকে বিদায় হয়ে গেল অস্ট্রেলিয়ার। প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে ২৬৪ রান বোর্ডে তুলে নেয় অজিরা। জবাবে রান তাড়া করতে নেমে বিরাট কোহলি ৮৪ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন। ৬ উইকেট হারালেও ম্য়াচ জিতে যায় ভারত।