আমদাবাদ: মায়ানগরীতে সেমিফাইনালে টানটান ম্যাচে ইংল্যান্ডকে হারিয়ে বিশ্বকাপের ফাইনালে নিজেদের টিকিট পাকা করেছে ভারতীয় দল। আজ খেতাবি লড়াই। আমদাবাদে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ফাইনালে নিউজ়িল্যান্ডের মুখোমুখি হবে ভারতীয় দল (IND vs NZ Final)। নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়াম (Narendra Modi stadium) আর ফাইনাল মানেই ভারতীয় সমর্থকদের স্মৃতিতে ভেসে আসে ২০২৩ সালের নভেম্বর মাসের সেই রাতের কথা। সেবার দুরন্ত এক টুর্নামেন্টের পর ৫০ ওভারের বিশ্বকাপের ফাইনালে অস্ট্রেলিয়ার হাতে পরাজিত হয়েছিল ভারত। 

Continues below advertisement

তবে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে কী ভারতীয় দলের ইতিহাস কেবলই হতাশার? কী বলছে অতীত পরিসংখ্যান? ভারতীয় দল নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে এখনও পর্যন্ত মোট ১০টি বিশ ওভারের ম্যাচ খেলেছে। বিশ ওভারের ফর্ম্যাটে এই মাঠে ভারতের রেকর্ড কিন্তু ভারতীয় সমর্থকদের মুখে হাসিই ফোটাবে। ভারতীয় দল এখানে খেলা দশ ম্যাচের মধ্যে সাতটিতে জয় পেয়েছে, পরাজিত হয়েছে তিনটি ম্যাচে। অপরদিকে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে নিউজ়িল্যান্ড এখনও পর্যন্ত দুইটি টি-টোয়েন্টি ম্য়াচ খেলেছে। দুই ম্যাচেই তাদের হারতে হয়েছে। এমনকী এই স্টেডিয়ামেই তারা এ বিশ্বকাপে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে পরাজিত হয়েছিল। 

অনেকেই মনে করছেন এই স্টেডিয়ামে ফাইনালে ম্যাচের টস কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ হবে। তবে ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ দেখলে ছবিটা কিন্তু খানিকটা ভিন্ন কথা বলছে। এই বিশ্বকাপে নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে মোট ছয়টি ম্যাচ আয়োজিত হয়েছে। এর মধ্যে প্রথমে ব্যাট করা দল তিনটি ম্যাচ জিতেছে এবং পরে ব্যাট করা দল দুইটি ম্য়াচ জিতেছে। একটি ম্যাচ অমীমাংসিত শেষ হয়। তাই টস জিতে আগে বা পরে ব্য়াট করার মধ্যে এ বিশ্বকাপে এই মাঠে অন্তত ফলাফলে তেমন প্রভাব পড়েনি, বলাই বাহুল্য। 

Continues below advertisement

তবে আজকের ম্যাচের আগে এক পরিসংখ্যান ভারতীয় সমর্থকদের খানিক চিন্তা বাড়াচ্ছে বটে। ভারতীয় দল আজ পর্যন্ত রবিবারে কোনও বিশ্বকাপ ট্রফি জেতেনি। শনিবার ভারতীয় দলের জন্য বরং আনন্দের হয়েছে। শনিবারই ভারতীয় দল ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপ, ২০১১ সালের বিশ্বকাপ, এমনকী গত বারের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপও জিতেছে। ভারতীয় দল প্রথম টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ জিতেছে সোমবার। কেবল ২০১৩ সালের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিই রবিবার জিতেছে টিম ইন্ডিয়া।

এক রবিবারই কিন্তু ভারত ২০২৩ সালের বিশ্বকাপে ফাইনালে এই মাঠেই পরাজিত হয়েছিল। তাই এই পরিসংখ্যান ভারতীয় সমর্থকদের উদ্বেগ খানিকটা যে বাড়াচ্ছে, তা বলাই বাহুল্য।