বিশাখাপত্তনম: কার্যত হাতের বাইরে বেরিয়ে যাওয়া ম্যাচে প্রাণ ফিরিয়েছিলেন তিনি। চেন্নাই সুপার কিংসের সিক্স হিটিং মেশিন বলা হয় তাঁকে। ১৫ বলে হাফসেঞ্চুরি করে ভারতকে দুর্দান্তভাবে ম্যাচে ফিরিয়েছিলেন সেই শিবম দুবে। নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২১৬ রান তাড়া করতে নেমে ভারত তখন স্বপ্ন দেখছে।

তবে স্বপ্ন চুরমার হয়ে গেল একটি অঘটনে। ম্যাট হেনরির বলে শট খেলেছিলেন হর্ষিত রানা। নন স্ট্রাইকিং প্রান্ত থেকে ততক্ষণে বেরিয়ে এসেছেন শিবম। সম্ভবত ভেবেছিলেন, রান নিয়ে দ্রুত স্ট্রাইকে ফিরবেন। বদলে দেবেন ম্যাচের রং।

কিন্তু হর্ষিতের সেই শট বোলার হেনরির হাতে লেগে ভেঙে দিল স্টাম্প। শিবম ক্রিজের বাইরে। রান আউট হয়ে গেলেন মুম্বইয়ের তারকা। ২৩ বলে ৬৫ রান করে। নিউজ়িল্যান্ডের বিরুদ্ধে ২১৬ তাড়া করতে নেমে ১৮.৪ ওভারে ১৬৫ রানে শেষ হয়ে গেল ভারত। ৫০ রানে ম্যাচ হেরে গেল ভারত।

টি-২০ সিরিজের ফয়সালা আগেই হয়ে গিয়েছে। প্রথম তিন ম্যাচ জিতে ৩-০ এগিয়ে ছিল ভারত। বুধবার নিউজ়িল্যান্ড জিতলেও সিরিজে ৩-১ এগিয়ে ভারত।

চতুর্থ টি-২০ ম্যাচে বেশ চাপে পড়ে গিয়েছিল টিম ইন্ডিয়া। টস জিতে নিউজ়িল্যান্ডকে প্রথমে ব্যাট করতে পাঠিয়েছিলেন সূর্যকুমার যাদব। বিশাখাপত্তনমের ব্যাটিং সহায়ক পিচে শুরুতে ব্যাটিং করে নিউজ়িল্যান্ড তোলে ২১৫/৭।

ঝোড়ো শুরু করেছিলেন নিউজ়িল্যান্ডের দুই ওপেনার - টিম সিফার্ট ও ডেভন কনওয়ে । মাত্র ৮.২ ওভারে ১০০ রান তোলেন দুজনে । ২৩ বলে ৪৪ তোলেন কনওয়ে । সিফার্ট পরের আইপিএলে খেলবেন কলকাতা নাইট রাইডার্সের হয়ে । এদিন তাঁর ব্যাটে ঝড় দেখে খুশি হবেন নাইট কর্তারা । ৩৬ বলে ৬২ রান করলেন কিউয়ি উইকেটকিপার । তাঁরাই দলের ইনিংসের রিংটোন সেট করে দিয়ে যান।

 

মাঝে পরপর উইকেট হারালেও শেষ বেলায় ফের ঝড় তুললেন ডারিল মিচেল । ১৮ বলে ৩৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে অপরাজিত রইলেন তিনি। এছাড়া রান পেয়েছেন গ্লেন ফিলিপ্স । ১৬ বলে ২৪ করেন তিনি । 

রান তাড়া করতে নেমে প্রথম বলেই অভিষেক শর্মাকে হারিয়ে বসে ভারত। রিঙ্কু সিংহ ৩০ বলে ৩৯ ও সঞ্জু স্যামসন ১৫ বলে ২৪ রান করলেও লাভ হয়নি।