নয়াদিল্লি: প্রথম ইনিংসে ২৪৮ রানে অল আউট হওয়ার পর ফলো অনে ব্যাটিংয়ে নেমেছিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ়। ফলো অনে নেমেও দ্বিতীয় সেশন শেষের আগে ৩৫ রানে দুই উইকেট হারিয়ে ফেলল ওয়েস্ট ইন্ডিজ়। মহম্মদ সিরাজ প্রথম উইকেট নেওয়ার পর ভারতকে দ্বিতীয় ইনিংসে দ্বিতীয় সাফল্য এনে দিলেন ওয়াশিংটন সুন্দর। অনবদ্য বলে অ্যালিক অ্যাথানাজ়কে সাত রানে ফেরালেন তিনি। প্রথম টেস্টের মতোই দ্বিতীয় টেস্টেও (IND vs WI 2nd Test) ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের ওপর ইনিংসে হারের খাঁড়া ঝুলছে। 

দ্বিতীয় সেশনের শুরুতে ওয়েস্ট ইন্ডিজ়ের স্কোর ছিল ২১৭ রান, হাতে ছিল মাত্র দুই উইকেট। প্রথম সেশনের শেষের দিকে খ্যারি পিয়ের ও অ্যান্ডারসন ফিলিপ লড়াকু পার্টনারশিপ গড়ে তুলেছিলেন। ৪২ রান যোগ করে ফেলেছিলেন তাঁরা। তবে দ্বিতীয় সেশনে সেই লড়াইটা দেখা গেল না। লাঞ্চের পরে প্রথম ওভারেই এই পার্টনারশিপ ভাঙেন যশপ্রীত বুমরা। দুরন্ত বোলিংয়ে খ্যারি পিয়েরের উইকেট ভাঙেন বুমরা। ২৩ রানে আউট হন পিয়ের। নবম উইকেটে ৪৬ রানের পার্টনারশিপ ভাঙে। 

এরপরেও অবশ্য ওয়েস্ট ইন্ডিজ় লড়াই থামায়নি। শেষ উইকেটেও ফিলিপ ও জেডন সিলস আক্রমণাত্মক ব্যাটিংয়ের পন্থা বেছে নেন। দুইজনে ২৭ রান যোগ করেন। দুইজনে মিলে যখন দলকে প্রায় ২৫০ রানের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছে, তখনই শেষ উইকেটটি পড়ে। সেই কুলদীপ যাদবই ভারতীয় দলকে সাফল্য এনে দেন। ভারতীয় স্পিনারের গুগলি পিক করতে ব্যর্থ হন সিলস। তিনি ১৩ রানে তিনি সাজঘরে ফিরতেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ় ইনিংসের যবনিকা পতন হয়।

ভারতীয় দলের তরফে ইতিমধ্যেই রস্টন চেজ়দের ফলোঅন করানোর কথা জানিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই ফলো অনে ব্যাটিংয়ে নেমেও শুরুটা একেবারেই ভালভাবে করতে পারল না ওয়েস্ট ইন্ডিজ়। মহম্মদ সিরাজের বলে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুরন্ত ক্যাচ ধরে চন্দ্রপালকে মাত্র ১০ রানে সাজঘরে ফেরত পাঠান শুভমন গিল। এরপরে অনেকটা আর অশ্বিনের ট্রেডমার্ক বলে, তাঁরই মতো ব্যাটারকে বিট করে তাঁর উইকেট ভাঙেন সুন্দর। প্রথম ইনিংসের সর্বোচ্চ রানসংগ্রাহক অ্যাথানাজ় মাত্র সাত রানে সাজঘরে ফেরেন। 

অ্যাথানাজ় সাজঘরে ফিরতেই আম্পায়াররা চা পানের বিরতি ঘোষণা করেন। বর্তমানে ক্যারিবিয়ান দল যে বেশ বিপাকে, তা বলাই বাহুল্য। তাঁরা পাল্টা লড়াই চালাতে পারে কি না, এবার সেটাই দেখার বিষয় হতে চলেছে। আপাতত ক্যাম্পবেল ১৮ রানে ক্রিজে উপস্থিত রয়েছেন।