মুম্বই: আইপিএলের পর থেকে মাঠের বাইরে তিনি। শুধুমাত্র ওয়ান ডে ফর্ম্য়াটেই দেশের জার্সিতে এই মুহূর্তে খেলবেন তিনি। সেই ফর্ম্য়াটে অফিশিয়ালি এখনও অধিনায়কও তিনিই। ২০২৭ বিশ্বকাপে অধিনায়ক হিসেবে দেশকে বিশ্বকাপ জেতানোর জন্য মরিয়া রোহিত শর্মা। যদিও দু বছর পর তিনি আদৌ অধিনায়ক হিসেবে খেলতে পারবেন কি না তা নিয়ে সংশয় রয়েছে। তবে আসন্ন অস্ট্রেলিয়া সিরিজের জন্য প্রস্তুতি শুরু করে দিলেন হিটম্য়ান। নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় সেই ছবিও পোস্ট করলেন হিটম্য়ান।
সাোশ্যাল মিডিয়ায় যে দুটো ছবি পোস্ট করেছেন রোহিত, সেখানে দেখা যাচ্ছে যে একটি ছবিতে প্যাড পরছেন রোহিত। অন্য় ছবিতে দেখা যাচ্ছে রানিং করছেন হিটম্য়ান। কিছুদিন আগেই বিসিসিআইয়ের সেন্টার অফ এক্সেলেন্স থেকে ফিটনেস টেস্টে পাশ করেছেন ডানহাতি এই ওপেনার। আবার দু দিন আগে আরও একটা ছবি ভাইরাল হয়েছিল। সেখানে দেখা যাচ্ছিল যে রোহিত শর্মাকে কোকিলাবেন হাসপাতালে ঢুকতে।
আগামী ১৯ অক্টোবর থেকে শুরু হতে চলেছে ভারত-অস্ট্রেলিয়া ওয়ান ডে সিরিজ। পারথে প্রথম ম্য়াচে খেলতে নামবে ২ দল। তিন ম্য়াচের ওয়ান ডে সিরিজ খেলবে দু দল। পরের দুটো ওয়ান ডে ম্য়াচ হবে আগামী ২৩ অক্টোবর ও ২৫ অক্টোবর। দ্বিতীয় ও তৃতীয় ম্য়াচটি হবে অ্য়াডিলেড ও সিডনিতে। সেই সিরিজেই বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মাকে ফের একবার জাতীয় দলে খেলতে দেখা যাবে।
রোহিত শর্মা ফিটনেস টেস্টে পাশ করে গিয়েছিলেন বেঙ্গালুরুতে। অন্য়দিকে, লন্ডনে ফিটনেস টেস্ট দেওয়ার ব্যাপারে বোর্ডের কাছে অনুমতি চেয়েছিলেন কোহলি। সেই অনুমতি দিয়েছিল বোর্ড। এনসিএর কোচেদের পর্যবেক্ষণেই কোহলির ফিটনেস টেস্ট হয়। সেখানেই ব্রঙ্কো টেস্ট দেন কিং কোহলি। অনলাইনে এ ধরনের পরীক্ষা দেখে আদৌ কারও ফিটনেস বোঝা যায় কি না তা নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। প্রাক্তন ভারত অধিনায়ককে বিশেষ ছাড় দেওয়ার ব্যাপারটিও ভাল ভাবে দেখছেন না অনেকে।
কোহলি সমর্থকরা অবশ্য বলছেন যে বিরাট একটা বিকল্প চেয়েছিলেন শুধুমাত্র। যাতে তিনি বেঙ্গালুরুর পরিবর্তনে লন্ডনে ফিটনেস টেস্ট দিতে পারেন। তবে কখনওই কোহলি বলেননি যে তিনি বেঙ্গালুরুতে আসতে পারবেন না। সেক্ষেত্রে বোর্ড অনুমতি দেওয়াতেই তিনি লন্ডনে এই টেস্ট দিয়েছেন। অন্য়দিকে বোর্ডের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এখন কোহলি বছরের বেশিরভাগ সময়টা লন্ডনেই থাকেন। টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি থেকে অবসর নেওয়ার পর শুধুমাত্র আইপিএল ও ওয়ান ডে ফর্ম্য়াটেই খেলেন কোহলি। এই পরিস্থিতিতে বছরর খুব অল্প সময়ই তিনি ভারতে থাকেন। তাই ফিটনেস টেস্ট লন্ডন থেকেই দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।