বুলাওয়াও: লক্ষ্য ছিল ২৫৩ রান। তবে ৫০ ওভার নয়, সেমিফাইনালে পৌঁছতে হলে পাকিস্তানকে ৩৩.৩ ওভারে এই রান তাড়া করতে হত। তা তো হলই না, উপরন্তু ভারতের বিরুদ্ধে গো হারান হারলেন ফারহান ইউসুফরা। অপরাজিত থেকেই শেষ দল হিসাবে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের (U 19 World Cup 2026) সেমিফাইনালে নিজেদের জায়গা পাকা করে নিলেন আয়ুষ মাত্রেরা। খিলান পটেল ও আয়ুষের স্পিন ফাঁদে ১৯৪ রানেই অল আউট হয়ে গেল পাকিস্তান। ৫৮ রানে জিতল ভারত।
সামির মিনহাসকে নয় রানে ফিরিয়ে ভারতের হয়ে নতুন বলে শুরুটা বেশ ভালই করেছিলেন হেনিল পটেল। তবে হামজ়া জাহৌর আর উসমান খান দুরন্ত পার্টনারশিপে পাকিস্তানকে লড়াইয়ে ফেরান। বেশ আগ্রাসী মেজাজেই ব্যাট করছিলেন হামজ়া। তাঁকে ৪২ রানে আউট করে কণিষ্ক চৌহান ভারতকে বড় সাফল্য এনে দেন। এরপর পাকিস্তান অধিনায়ক ফারহান ইউসুফও ব্যাটে নেমে দ্রুত রান করেন। তৃতীয় উইকেটে তিনি উসমানের সঙ্গে অর্ধশতরানের পার্টনারশিপ গড়েন। পাকিস্তানের ১৫০ রানের গণ্ডিও পার করে ফেলে।
তবে এরপরেই পাকিস্তানের ব্য়াটিংয়ে ধস নামান ভারতীয় স্পিনাররা। ফারহান ৩৮ রানের ইনিংস খেলে ফেরেন। উসমান ৬৬ রান করলেও পাকিস্তানের সেমিফাইনালে পৌঁছনোর জন্য যে গতিতে রান করার প্রয়োজন ছিল, তা তিনি করতে পারেননি। ফলে ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই ভারত সেমিফাইনালের টিকিট পাকা করে ফেলেছিল। কিন্তু তাদের সামনে সুযোগ ছিল এশিয়া কাপের সেমিফাইনালে হারের বদলা নেওয়ার। তেমনটা বেশ ভালভাবই করল ভারত। আয়ুষ মাত্রে ও খিলান পটেল তিনটি করে উইকেট নেন।
এর আগে প্রথম ইনিংসে টিম ইন্ডিয়ার জুনিয়রদের হয়ে বেদান্ত ত্রিবেদী সর্বাধিক ৬৮ রানের ইনিংস খেলেন। তবে সম্ভবত সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ পার্টনারশিপ এল একেবারে শেষে। খিলান পটেল এবং কণিষ্ক চৌহান অষ্টম উইকেটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্ধশতরানের পার্টনারশিপ যোগ করেন। এই পার্টনারশিপই ভারতকে ২৫০ রানের গণ্ডি পার করতে সাহায্য করে। কণিষ্ক ৩৫ ও খিলান ২১ রানের ইনিংস খেলেন।
