হেডিংলে: প্রথম টেস্টের প্রথম ইনিংসে পাঁচশো কি বোর্ডে তুলতে পারবে ভারতীয় দল? প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে শুক্রবার প্রথম দিন ৩ উইকেট হারিয়ে ৩৫৯ রান বোর্ডে তুলে নিয়েছিল। যশস্বী জয়সওয়ালের পর শুভমন গিলও সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছিলেন। দ্বিতীয় দিনে শতরান হাঁকালেন দলের সহ অধিনায়ক ঋষভ পন্থও। দল লাঞ্চ বিরতিতে বোর্ডে তুলল ৭ উইকেট হারিয়ে ৪৫৪ রান। ক্রিজে আছেন রবীন্দ্র জাডেজা ও জসপ্রীত বুমরা।

প্রথম দিনের শেষে গিল ও পন্ত মাঠ ছেড়েছিলেন অপরাজিত থেকে। মনে করা হয়েছিল খুব সহজেই হয়ত পাঁচশোর গণ্ডি পেরিয়ে যাবে ভারত। এমনকী দুজনে যে ছন্দে দ্বিতীয় দিনে ব্যাটিং শুরু করেছিলেন। মনে হচ্ছিল দ্বিশতরানও হাঁকিয়ে ফেলতে পারেন গিল। তবে ছন্দপতন হল তাঁর ব্যক্তিগত ১৪৭ রানের মাথায়। শোয়েব বসিরের বলে জশ টাংয়ের হাতে ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান ভারত অধিনায়ক। যদিও তাঁর আগেই পন্থ নিজের সপ্তম টেস্ট সেঞ্চুরিটি হাঁকিয়ে ফেলেছিলেন। গিল নিশ্চিত দেড়শো রানের ইনিংস মাঠেই ফেলে এলেন। ১৯টি বাউন্ডারি ও ১টি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন তিনি। করুণ নায়ার মা্র ৪ বল ক্রিজে টিকতে পারলেন। খাতা খোলার আগেই প্যাভিলিয়নে ফিরে গেলেন তিনি। ইংল্যান্ড লায়ন্সের বিরুদ্ধে প্রস্তুতি ম্য়াচেও দ্বিশতরান হাঁকিয়েছিলেন। এছাড়া ঘরোয়া ক্রিকেটে, রঞ্জি ট্রফিতে এমনকী দিল্লি ক্যাপিটালসের জার্সিতে গত আইপিএলেও একটি ম্য়াচে দুর্দান্ত পারফর্ম্যান্স ছিল। যার জন্য় করুণ নায়ারকে জাতীয় দলে ফেরানোর দাবি আরও বেশি করে জোরালো হচ্ছিল। তিনি ফিরলেন। কিন্তু রান করতে পারলেন না। স্টোকসের বলে ওলি পোপের হাতে ক্যাচ দিয়ে তিনি ফিরলেন। স্টোকসের সামনে প্রথম তিনটি বলে সাবলীলভাবে ডিফেন্স করলেও চতুর্থ বলে ফাঁদে পা রাখেন। অফস্ট্যাম্পের বাইরের বলে খোঁচা মেরে আউট হলেন। কভারের ওপর দিয়ে বল বাউন্ডারি লাইনে বের করতে চাইছিলেন। কিন্তু শর্ট কভারে দাঁড়িয়ে ছিলেন ওলি পোপ। যেন সেই ক্যাচটি লোফার জন্য়ই তাঁকে দাঁড় করানো হয়েছিল। এক হাতে দুরন্ত ক্যাচ লুফে নিলেন। 

করুণ ফেরার পরই পন্থও বেশিক্ষণ ক্রিজে টিকটে পারেননি। ১২টি বাউন্ডারি ও ৬টি ছক্কার সাহায্য়ে ১৩৪ রান করে জশ টাংয়ের বলে লেগবিফোর হয়ে যান তিনি। রিভিউ নিয়েও উইকেট বাঁচাতে পারেননি। শার্দুল ঠাকুরও ১ রান করে স্টোকসের বলে ক্যাচ আউট হয়ে ফেরেন। ক্রিজে আছেন বুমরা ও জাডেজা।