বার্মিংহ্যাম: দ্বিতীয় টেস্টে ভারতীয় দল (Indian Cricket Team) নামার আগে গিল বাহিনীকে বার্তা দিলেন রবি শাস্ত্রী (Ravi Shastri)। ভারতীয় ক্রিকেট দলের প্রাক্তন কোচ মনে করেন ভারতীয় দলের দ্রুত প্রত্যাঘাত করা উচিৎ মাঠে। নইলে পাঁচ ম্য়াচের সিরিজে ইংল্য়ান্ডের থেকে অনেকটাই পিছিয়ে যাবে তারা। প্রথম টেস্টে পাঁচ উইকেটে জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল ইংল্য়ান্ড (India vs England) শিবির। চতুর্থ ইনিংসে ৩৭১ রান তাড়া করতে নেমেও জয় ছিনিয়ে নিয়েছিল তারা। এই পরিস্থিতিতে এজবাস্টনে অনেকটা ডু অর ডাই ম্য়াচ। সিরিজে সমতা ফেরানোর মরিয়া লড়াই চালাতে হবে গিলদের।
আইসিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শাস্ত্রী বলছেন, ''ভারতকে দ্রুত প্রত্যাঘাত করতেই হবে। যখন একটা টেস্ট ম্য়াচ এভাবে হেরে যেতে হয়, তখন খারাপ লাগবেই। প্রত্যেকটি ডিপার্টমেন্টেই এগিয়ে ছিল ভারতই। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ম্যাচের শেষ হাসি হেসেছে ইংল্যান্ডই। স্টোকসদের প্রশংসা করতেই হবে। শেষ মুহূর্তে পর্যন্ত মাথা ঠাণ্ডা রেখে এই ম্যাচ বের করিয়ে নিয়েছে তাঁরা।''
বুমরা কি আদৌ খেলবেন তা এখনও নিশ্চিত নয়। তবে বার্মিংহ্যামে তারকা পেসারকে দেখতে চাইছেন শাস্ত্রী। তিনি বলছেন, ''আমি জানি না বুমরা এই ম্য়াচে খেলবে কি না। কিন্তু আমার মতে এই ম্য়াচে ওর খেলা উচিৎ। কারণ খুব গুরুত্বপূর্ণ ম্য়াচ এটি ভারতের জন্য সিরিজের প্রেক্ষাপটে দেখলে। ফিট থাকলে অবশ্যই মাঠে নামা উচিৎ। পাঁচ ম্য়াচের সিরিজে এখনও সময় রয়েছে। তাই পরেও বিশ্রাম নিতে পারবে ও।''
প্রথম টেস্টে ভারতের হারের পর অনেকেই গিলের ক্যাপ্টেন্সি, বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নেওয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল। তবে শাস্ত্রীর মতে, ''গিল অনেক পরিণত ক্রিকেটার। যেভাবে মিডিয়াকে সামলাচ্ছে ও। যেভাবে সাংবাদিক বৈঠকে অংশ নিচ্ছে, টসের সময় যেভাবে কথা বলছে, তার থেকেই ওর পরিণতবোধ চোখে পড়েছে। আমি বলব ওকে তিন বছর সময় দেওয়া হোক। এই সিরিজের ফল যাই হোক না কেন, গিলকে সময় দেওয়া উচিৎ। তাহলেই দেখা যাবে যে তার ফলও পাওয়া যাবে।''
উল্লেখ্য়, এজবাস্টনে এখনও পর্যন্ত কোনও ম্য়াচে জিততে পারেনি ভারত টেস্ট ক্রিকেটের ইতিহাসে। ১৯৬৭ সালে প্রথমবার এই মাঠেই খেলতে নেমেছিল টিম ইন্ডিয়া। সেই থেকে এখনও পর্যন্ত এই মাঠে কোনও ম্য়াচ জিততে পারেনি ভারতীয় ক্রিকেট দল। এখনও পর্যন্ত মোট আটটি টেস্ট খেলতে নেমেছে এজবাস্টনে। সাতটি ম্য়াচে হেরেছে ভারত। একটি ম্য়াচ ড্র করেছে।