ব্রিস্টল: প্রথম ম্য়াচের পর টি-টোয়েন্টি সিরিজের দ্বিতীয় ম্য়াচেও দুরন্ত জয় ছিনিয়ে নিল ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল। ব্রিস্টলের কাউন্টি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে দ্বিতীয় ম্য়াচে ভারতের জয়ের নেপথ্যে আমনজোৎ কৌরের অলরাউন্ড পারফরম্য়ান্স ও জেমিমা রডরিগেজের অর্ধশতরান। ২৪ রানে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে জয় ছিনিয়ে নিল ভারতীয় মহিলা ক্রিকেট দল। সিরিজেও তাঁরা ২-০ ব্যবধানে এগিয়ে গেল।
প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমেছিল ভারতীয় দল। পাওয়ার প্লে-র মধ্য়ে ৩ উইকেট হারিয়ে মাত্র ৩১ রানই বোর্ডে তুলতে পেরেছিল হরমনপ্রীত বাহিনী। সেখান থেকে জেমিমা ও আমনজোৎ মিলে ম্য়াচ জেতানো ৯৩ রানের পার্টনারশিপ গড়ে তোলেন চতুর্থ উইকেটে। জেমিমা রডরিগেজ ৪১ বলে ৬৩ রানের ইনিংসে ৯টি বাউন্ডারি ও ১টি ছক্কা হাঁকান। জেমিমা ফিরে গেলেও রিচা ঘোষকে সঙ্গে নিয়ে আরও ৫৭ রান বোর্ডে যোগ করেন আমনজোৎ। শেষ পর্যন্ত ১৮১ রান বোর্ডে তুলতে পারে ভারত। ৪০ বলে ৬৩ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেলে অপরাজিত থাকেন আমনজ্য়োৎ। নিজের ইনিংসে ৯টি বাউন্ডারি হাঁকান তিনই। ২০ বলে ৩২ রান করে রিচা ঘোষ অপরাজিত থাকেন।
রান তাড়া করতে নেমে একটা সময়ে চার ওভারে ১৭ রান বোর্ডে তুলতেই ৩ উইকেট খুইয়ে বসেছিল ইংল্যান্ড। সেখান থেকে ব্যুমন্ট ও অ্য়ামি জোন্স মিলে ৭০ রান যোগ করেন। এরপর সোফি একেলস্টোন ২৩ বলে ৩৫ রানের ইনিংস খেলেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৫৭ রানের বেশি বোর্ডে তুলতে পারেনি ইংল্যান্ড মহিলা ক্রিকেট দল।
প্রথমে ব্যাট হাতে অর্ধশতরান হাঁকানোর পর বল হাতেও ৩ ওভারের স্পেলে ২৮ রান খরচ করে ১টি গুরুত্বপূর্ণ উইকেটও তুলে নেন আমনজ্যোৎ কৌর। ন্য়াট স্ক্রিভার ব্রান্টকে প্যাভিলিয়নে ফেরান তিনি। ম্য়াচের সেরার পুরস্কারও জিতে নেন আমনজ্যোৎ। পরে বিসিসিআই টিভিতে জেমিমার সঙ্গে আড্ডায় আমনজ্যোৎ বলেন, ''ডব্লিউপিএলে খেলার ফলে ইংল্য়ান্ডের বেশিরভাগ প্লেয়ারের সঙ্গে বন্ধুত্ব হয়ে গিয়েছে। তাঁদের শক্তি-দুর্বলতাও জানি। আর কখন, কী করা উচিৎ, তাও ধীরে ধীরে বুঝেছি। আগের থেকে অনেক বেশি পরিণত ব্যাটিং করতে পারছি এখন।''