করাচি: দরজায় কড়া নাড়ছে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি (ICC Champions Trophy)। আর টুর্নামেন্টের পারদ চড়িয়ে প্রকাশিত হল টুর্নামেন্টের অ্যান্থেম। যেটা গেয়েছেন নামী গায়ক আতিফ আসলাম (Atif Aslam)।
একটা সময় বলিউড কাঁপিয়েছেন পাকিস্তানি সঙ্গীতশিল্পী আতিফ আসলাম। ভারত-পাকিস্তান, দু-দেশেই তাঁর অনুরাগীর সংখ্যা অগুনতি। আতিফের কণ্ঠে 'তু রং শরবতো কা...', 'পহলী নজর মে ক্যায়সা জাদু কর দিয়া...'-র মতো গান সুপারহিট হয়েছিল। তবে ভারত ও পাকিস্তান, দুই দেশের রাজনৈতিক টানাপোড়েনের জেরে দীর্ঘদিন বলিউডে কাজ করছেন না আতিফ। যদিও তাঁর জনপ্রিয়তায় ভাটা পড়েনি। যে ছবি আরও একবার দেখা গেল চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অ্যান্থেম প্রকাশিত হতেই।
চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অ্যান্থেম 'জিতো বাজি খেলকে…।' উপমহাদেশের ক্রিকেট নিয়ে উন্মাদনাকে তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে এই গানের প্রত্যেক লাইনে। আতিফের গাওয়া এই গানটি প্রযোজনা করেছেন আবদুল্লা সিদ্দিকি। গানের কথা লিখেছেন আদনান ঢোল এবং আসফাদানর আসার। গানের ভিডিওতে পাকিস্তানের গলি ক্রিকেটের কয়েক ঝলক রাখা হয়েছে। সঙ্গে সে দেশের সংস্কৃতি, স্থানীয় বাজার, রাস্তাঘাট, দোকান দেখানো হয়েছে। ভিডিওতে পা মিলিয়েছেন গায়ক স্বয়ং। অন্যান্য দেশের সঙ্গে ভারতের জাতীয় পতাকা ও টিম ইন্ডিয়ার নীল জার্সি পরেও নাচতে দেখা গিয়েছে সহশিল্পীদের।
আরও পড়ুন: ভারতের বিশ্বজয়ের নেপথ্যে বাঙালি কোচ, কীভাবে তৈরি হয়েছিল মুকুটরক্ষার নকশা?
আতিফ বলেছেন, 'আমি ক্রিকেট অন্ত প্রাণ। নিজে ছোটবেলা চাইতাম ফাস্টবোলার হব। এই খেলা নিয়ে আমার উন্মাদনা আশৈশব। তাই গানটা গাওয়ার সময় আবেগের সঙ্গে মিশে যেতে পেরেছি। আমি সবসময় ক্রিকেট ম্যাচের অপেক্ষায় থাকি। বিশেষত পাকিস্তান বনাম ভারত ম্যাচের জন্য উদগ্রীব হয়ে থাকি। কারণ সেই ম্যাচের আবেগ ও অনুভূতি চরমে থাকে। আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির অ্যান্থেম গাইতে পেরে আমি উত্তেজিত।'
আতিফের প্রথম প্রেম ক্রিকেট। একটা সময় পাকিস্তানের অনূর্ধ্ব ১৯ দলেও নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। তবে বাড়ি থেকে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার জন্য চাপ দেওয়া হয়। যে কারণে আতিফের ক্রিকেটার হওয়া হয়নি।
আরও পড়ুন: বয়সকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে ম্যাচ জিতিয়ে চলেছেন, কলকাতা ময়দানে হইচই পুলককে নিয়ে