ঢাকা: এখনও পর্যন্ত আইসিসি ইভেন্টে চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি কখনও বাংলাদেশ। কিন্তু ২০১৫ বিশ্বকাপ সেমিফাইনাল হোক বা গত চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সেমিতে ওঠা। বারবার শক্তিশালী অনেক দেশকে বেগ দিয়েছে ২২ গজের লড়াইয়ে টাইগাররা। ভারতের বিরুদ্ধে গতবারের চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে সেমিতে হেরে গিয়েছিল বাংলাদেশ। আরও একটা চ্য়াম্পিয়ন্স ট্রফি শুরু হতে চলেছে আগামী ফেব্রুয়ারিতে। সেই টুর্নামেন্টেও কি ফের একবার চমক দিতে চলেছে বাংলাদেশ? দলের এমন পাঁচজন ক্রিকেটার রয়েছেন যাঁরা কিন্তু যে কোনও মুহূর্তে ম্য়াচের রং বদলে দিতে পারেন।

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে যে পাঁচজনের ওপর নজর থাকবে

মেহদি হাসান মিরাজ: গত কয়েক বছর ধরে বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে ধারাবাহিক ক্রিকেটার বলা চলে। ওয়ান ডে ফর্ম্য়াটে বাংলাদেশের অধিনায়ক। বিশ্বের সেরা অলরাউন্ডারদের মধ্যে এই মুহূর্তে একজন মিরাজ। ব্যাট, বল হাতে তাঁর অভিজ্ঞতা দলের সম্পদ হতে চলেছে টুর্নামেন্ট।

রিশাদ হোসেন: বাংলাদেশের তরুণ লেগস্পিনার। টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের গত বছর অনেক তাবড় তাবড় ব্যাটারকে নাকানিচোবানি খাইয়েছিলেন নিজের ঘূর্ণিতে। গত ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে ব্যাট হাতেও লোয়ার অর্ডারে বিধ্বংসী ইনিংস খেলেছেন। যা তাঁকে এই তালিকায় নিয়ে এসেছে।

নাহিদ রানা: অনেক বছর পর বাংলাদেশ ক্রিকেটে একজন তরুণ পেসার এসেছেন, যিনি দুর্দান্ত বাউন্সার ছুড়তে পারেন। পিচ থেকে গতির সাহায্য তুলতে পারেন। তাঁর বাউন্সারগুলো বেশ ঘাতক। উপমহাদেশের উইকেটেও বেশ কার্যকরী হতে চলেছে নাহিদের পেস বোলিং।

তাসকিন আহমেদ: বাংলাদেশ পেস অ্য়াটাকের সবচেয়ে অভিজ্ঞ পেসার। তরুণ বোলারদের নেতৃত্ব দেবেন তিনি। এই নিয়ে নিজের কেরিয়ারের তৃতীয় চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলতে নামবেন তাসকিন। হয়ত এটাই শেষ। নতুন বল হোক বা ডেথ ওভার ব্যাটারদের ত্রাস হয়ে ওঠার ক্ষমতা রয়েছে তাসকিনের। মুস্তাফিজের পাশাপাশি তাসকিন কিন্তু ভয়ঙ্কর হলে চাপ বাড়বে প্রতিপক্ষের। 

জাকের আলি অনিক: তরুণ ব্যাটার। প্রথম আইসিসি টুরনামেন্টে খেলতে নামবেন। পাওয়ার হিটিংয়ের জন্য নজর কেড়েছেন। মাঝের ওভারগুলোতে প্রতিপক্ষ দলের বোলারদের মাথাব্যথার কারণ হতে পারেন তিনি।

এবারের বাংলাদেশ স্কোয়াডে রাখা হয়নি তারকা উইকেট কিপার ব্যাটার লিটন দাসকে। বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি লিটনের বাদ পড়া নিয়ে বিতর্ক উস্কে দিচ্ছে। বলা হচ্ছে, হিন্দু বলেই কি দল থেকে বাড পড়লেন লিটন দাস? চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির দল থেকে বাদ পড়ার কয়েক ঘণ্টা পরেই বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে ঝকঝকে সেঞ্চুরি করেছেন লিটন। যেটা বিপিএলে তাঁর প্রথম সেঞ্চুরি। মাত্র ৪৪ বলে সেঞ্চুরি করেন লিটন। বিপিএলের ইতিহাসে যা দ্বিতীয় দ্রুততম সেঞ্চুরি।