জয়পুর: রঞ্জিতে রাজস্থানের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেই দুরন্ত শতরান হাঁকালেন যশস্বী জয়সওয়াল। ভারতীয় দলের জার্সিতে টেস্ট ফর্ম্য়াট ছাড়া আর কোনও ফর্ম্য়াটে সুযোগ পাচ্ছেন না এই মুহূর্তে। মাঠের বাইরেই বারবার বসতে হয় তাঁকে। এই পরিস্থিতিতে নিজেই জানিয়েছিলেন যে রঞ্জি খেলে দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজের প্রস্তুতি সারবেন। ঠিক সেটাই করলেন। আর রঞ্জিতে প্রত্যাবর্তনেই ১৫৬ রানের ইনিংস খেললেন। অন্য়দিকে ত্রিপুরার হয়ে বাংলার বিরুদ্ধে খেলতে নেমে শতরান হাঁকালেন হনুমা বিহারি।
রাজস্থানের বিরুদ্ধে ম্য়াচের চতুর্থ দিন শতরানের ইনিংস খেললেন যশস্বী। প্রথম ইনিংসে ৬৭ রানের ইনিংস খেলেছিলেন তিনি। দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭৪ বলে ১৫৬ রানের ইনিংস খেলেন। ১৮টি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন সেই ইনিংসে। অস্ট্রেলিয়া সফরে ওয়ান ডে স্কোয়াডে ছিলেন। কিন্তু তিনটি ম্য়াচেই মাঠের বাইরে বসে কাটাতে হয়েছে তাঁকে।
ম্য়াচটি ড্র হয়ে যায়। রাজস্থান ম্য়াচে টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। সেই ইনিংসে মুম্বইয়ের জয়সওয়াল ছাড়া আর কোনও ব্যাটার পঞ্চাশ বা তার বেশি রান করতে পারেননি। ২৫৪ রানে অল আউট হয়ে যায় মুম্বই। অন্য়দিকে রাজস্থান শিবির প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৬ উইকেট হারিয়ে ৬১৭ রান বোর্ডে তুলেছে রাজস্থান। দ্বিশতরান হাঁকান দীপক হুডা ও সেঞ্চুরি হাঁকান কার্তিক শর্মা।
বাংলা ও ত্রিপুরা ম্য়াচে দুরন্ত শতরান হাঁকালেন হনুমা বিহারি। প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে প্রথ ইনিংসে বাংলা দল ৩৩৬ রান বোর্ডে তুলেছিল। সুদীপ ঘরামি সেঞ্চুরি হাঁকান। এছাড়া অর্ধশতরান হাঁকান শাকির এইচ গাঁধী। জবাবে ব্যাট করতে নেমে ত্রিপুরা বোর্ডে ৩৮৫ রান তুলে নেয়। জবাবে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৩ উইকেট হারিয়ে বোর্ডে ৯০ রান তুলে নেয় ত্রিপুরা। ম্য়াচ ড্র হওয়ায় বাংলা এই ম্য়াচ থেকে মাত্র ১ পয়েন্টই ঝুলিতে পুরতে পেরেছে।
রঞ্জিতে ঝোড়ো ইনিংস খেললেন বৈভব সূর্যবংশী
বিহারের হয়ে এদিন রঞ্জি ট্রফির ম্য়াচে মেঘালয়ের বিরুদ্ধে খেলতে নেমেছিল বৈভব। সেই ম্য়াচে ব্যাট হাতে রীতিমতো ঝড় তুলল সে। ৬৭ বলে ৯৩ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলল তরুণ বাঁ-হাতি ব্যাটার। তার ইনিংস সাজানো ছিল নয়টি চার ও চারটি ছক্কায়। তড়তড়িয়ে শতরানের দিকে এগোচ্ছিল বৈভব। তবে দুর্ভাগ্যবশত শতরানের থেকে মাত্র সাত রান দূরে, ৯৩ রানে থামল তার ইনিংস। মেঘালয়ের স্পিনার বিজন দের বলে শেষমেশ আউট হয়ে সাজঘরে ফেরে বৈভব সূর্যবংশী।