লখনউ: রঞ্জি ট্রফির (Ranji Trophy) সেমিফাইনালে বাংলাকে হারিয়ে ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর। রঞ্জি ট্রফির ইতিহাসে প্রথমবার ফাইনালে পৌঁছেছেন আকিব নবিরা। রঞ্জি ট্রফির অপর সেমিফাইনালে উত্তরাখণ্ড এবং কর্নাটকের মধ্যে ম্যাচটি লখনউয়ের একানা স্টেডিয়ামে খেলা হয়। ম্যাচটি ড্র হয়, তার পরেও কে এল রাহুলের দল ফাইনালে জায়গা করে নেয়। দলের জন্য রাহুল দুটি ইনিংসেই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন। ম্যাচ ড্র হওয়ার পরেও কীভাবে রাহুলের দল কর্নাটক ফাইনালে পৌঁছে গেল?
ম্যাচ ড্র হওয়ার পরেও কীভাবে ফাইনালে কর্নাটক?
রঞ্জি ট্রফির নক আউট ম্যাচে (সেমিফাইনাল, ফাইনাল) ড্র হলে যে দল প্রথম ইনিংসে লিড নেয়, সেই দলকে জয়ী ঘোষণা করা হয় । কর্নাটক এবং উত্তরাখণ্ডের ম্যাচেও একই পদ্ধতিতে বিজয়ীর কারা, সেই সিদ্ধান্ত হয় । কর্নাটক প্রথম ইনিংসে লিড নিয়েছিল, যার ফলে ম্যাচ ড্র হলেও কে এল রাহুলরা ফাইনালে জায়গা করে নেন ।
১১ বছর পর ফাইনালে জায়গা
ঘরোয়া ক্রিকেটের সেরা টুর্নামেন্ট রঞ্জি ট্রফিতে কর্নাটক ১১ বছর অপেক্ষার পর ফাইনালে জায়গা করে নিয়েছে। অন্যদিকে, জম্মু ও কাশ্মীর দল প্রথম সেমিফাইনাল জিতে প্রথমবার রঞ্জি ট্রফির ফাইনালে পৌঁছেছে। দু’দলের মধ্যে ফাইনাল ম্যাচটি ২৪শে ফেব্রুয়ারি থেকে খেলা হবে ।
কর্নাটক প্রথম ইনিংসে রানের পাহাড়ে
ম্যাচে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে কর্নাটকের দল প্রথম ইনিংসে ৭৩৬ রান তোলে। দলের হয়ে অধিনায়ক দেবদত্ত পাড়িক্কল সবচেয়ে বড় ইনিংস খেলে ২৯টি চার এবং ৩টি ছক্কার সাহায্যে ২৩২ রান করেন। এছাড়াও কে এল রাহুল ১১টি চার এবং ৫টি ছক্কার সাহায্যে ১৪১ রান করেন। এছাড়া পাঁচ নম্বরে ব্যাট করতে নামা স্মরণ রবিচন্দ্রন ১২টি চারের সাহায্যে ১৩৫ রানের ইনিংস খেলেন।
এর জবাবে উত্তরাখণ্ডের দল তাদের প্রথম ইনিংসে মাত্র ২৩৩ রানেই গুটিয়ে যায়। এরপর কর্নাটক তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ৩২৩ রান করে। পরে দিন শেষ হওয়া পর্যন্ত উত্তরাখণ্ডের দল তাদের দ্বিতীয় ইনিংসে ২৬০/৬ রান পর্যন্তই পৌঁছতে পারে।
