নয়াদিল্লি: মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে বিজয় হাজারে ট্রফির (Vijay Hazare Trophy 2025-26) ম্য়াচ খেলতে নেমেছিল তামিলনাড়ুর। সেই ম্যাচে ডাইভ মেরে রান নিতে গিয়েই চোটের কবলে পড়লেন সাই সুদর্শন (Sai Sudharsan)। শুভমন গিলের আইপিএল ওপেনিং পার্টনার ভারতীয় টেস্ট দলের অঙ্গ হলেও, সীমিত ওভারের ক্রিকেটে টিম ইন্ডিয়ার অঙ্গ নন। তাই তিনি বিজয় হাজারের সব ম্যাচই সম্ভবত তামিলনাড়ুর হয়ে খেলতেন। তবে এ মরশুমে বাকি টু্র্নামেন্টে তাঁর খেলা কার্যত অসম্ভব।

Continues below advertisement

শুক্রবার বিসিসিআইয়ের এক সূত্র জানান সাই সুদর্শন ডান দিকের পাঁজরের হাড় ভেঙেছে। রিপোর্ট অনুযায়ী সুদর্শন ২৯ ডিসেম্বর বেঙ্গালুরুতে বিসিসিআইয়ের সেন্টার অফ এক্সিলেন্সে নিজের চোট পরীক্ষা করাতে গিয়েছিলেন। সেখানেই তাঁর পাঁজরে চোট ধরা পড়ে। যে জায়গায় সাই রান নিতে গিয়ে চোট পেয়েছেন, ঠিক একই জায়গায় এই টুর্নামেন্ট চলাকালীন নেটে ব্যাটিং করার সময় বল দিয়ে আঘাত পান সাই। তারপরে আবারও একই জায়গায় ব্যথা লাগাতেই সমস্যা। 

২৪ বছর বয়সি তারকা বিজয় হাজারেতে আর খেলতে পারবেন না। তবে কিছু সময় পরেই তো আবার আইপিএলও শুরু হয়ে যাবে। সেখানেও কি সুদর্শনের খেলা নিয়ে সংশয় রয়েছে? উত্তর সম্ভবত না। আইপিএলের সময় শুভমন গিলের সঙ্গেই শুরু থেকে ফের একবার হয়তো গুজরাত টাইটান্সের হয়ে ওপেনিং করার জন্য ফিট হয়ে যাবেন সাই সুদর্শন।

Continues below advertisement

সেন্টার অফ এক্সিলেন্সের রিপোর্ট অনুযায়ী সাই লোয়ার বডির স্ট্রেংথ এবং কন্ডিশনিংয়ের ওপর কাজ করছেন। ধীরে ধীরে তাঁর আপার বডিতেও কসরত করবেন তিনি। সাই আপাতত চোট সারানোর রিহ্যাব প্রক্রিয়ায় ভালভাবে সাড়া দিয়েছেন বলেও খবর। এই ধরনের চোট সারতে সাধারণত ছয় থেকে আট সপ্তাহ সময় লাগে। তাই বিজয় হাজারেতে খেলা না হলেও, মার্চের শেষের দিকে শুরু হওয়া আইপিএলে তাঁর খেলার বিষয়ে টাইটান্স সমর্থকরা আশাবাদী হতেই পারেন।

অপরদিকে, বিজয় হাজারেতে হায়দরাবাদের দলে যুক্ত হলেন ভারতীয় দলের দুই তারকা ক্রিকেটার তিলক বর্মা এবং মহম্মদ সিরাজ। তিলক চণ্ডীগড়ের বিরুদ্ধে ম্য়াচেই, শনিবার দলের হয়ে মাঠে নামতে পারেন। সিভি মিলিন্দের থেকে তিনি অধিনায়কত্বের দায়ভারও নেবেন। বাংলার বিরুদ্ধে ৬ জানুয়ারির ম্যাচেও তিলক হয়তো খেলবেন। তবে সিরাজকে ৮ জানুয়ারি জম্মু ও কাশ্মীরের বিরুদ্ধে ম্যাচেও পাবে হায়দরাবাদ। এই দুই তারকার দলে যোগ দেওয়া যে হায়দরাবাদের শক্তি বাড়াল, তা বলাই বাহুল্য।