দুবাই: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (Champions Trophy 2025) প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশের মুখোমুখি হয়েছিল ভারতীয় দল। দুবাইয়ের আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে উপস্থিত ক্রিকেটপ্রেমীরা এই ম্যাচে শুভমন গিল-শোর সাক্ষী হয়ে থাকলেন। অনবদ্য সেঞ্চুরি হাঁকান গিল (Shubman Gill)। আর এই শতরানের সুবাদেই ইতিহাস গড়ে ফেললেন ভারতের তরুণ ওপেনার।

বাংলাদেশের বিরুদ্ধে (IND vs BAN) ১২৯ বলে অপরাজিত ১০১ রানের ইনিংস খেলেন। এটি তাঁর ওয়ান ডে কেরিয়ারের অষ্টম সেঞ্চুরি। মাত্র ৫১ ইনিংসেই আটটি ওয়ান ডে সেঞ্চুরি হাঁকিয়ে ফেললেন গিল। তুলনায় আটটি বিরাট কোহলি সমান সংখ্যক সেঞ্চুরি করতে নিয়েছিলেন ৬৮ ইনিংস, 'মাস্টার ব্লাস্টার' সচিন তেন্ডুলকরের লেগেছিল ১১১টি ইনিংস। এত দ্রুত আর কোনও ভারতীয় ব্যাটার আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আটটি ওয়ান ডে সেঞ্চুরি হাঁকাননি। এদিন আরেক ওপেনার শিখর ধবনের রেকর্ড ভাঙলেন গিল। শিখর ৫৭ ইনিংসে আটটি শতরান হাঁকিয়েছিলেন।

এই দুরন্ত ইনিংসের জন্য শুভমন গিলকেই ম্য়াচের সেরা ঘোষণা করা হয়। ম্যাচশেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে গিল বলেন, 'নিঃসন্দেহে আমার খেলা ইনিংসগুলির মধ্যে এটা সন্তুষ্টির দিক থেকে একেবারে ওপরের দিকে থাকবে। আমি যেভাবে খেলেছি, তাতে অত্যন্ত খুশি এবং সন্তুষ্ট।' এরপরেই নিজের ইনিংস কীভাবে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছেন, কী পরিকল্পনা ছিল তাঁর সেই বিষয়ে খোলসা করেন গিল।

 

'শুরুতে আমি এবং রোহিত ভাই ব্য়াটিং করতে নেমে বুঝতে পারি যে অফস্টাম্পের বাইরের বল ঠিকভাবে ব্যাটে আসছে না, তাই কাট খেলাটা চাপেরই। তাই ফাস্ট বোলারদের বিরুদ্ধেও স্টেপ আউট করে সার্কেলের ওপর দিয়ে শট খেলার চেষ্টা করছিলাম। স্পিনারদের ক্ষেত্রে সামনের পায়ে খেলে এক রান নিতে চাপ হচ্ছিল। তাই আমি ও বিরাট ভাই সেই সময় ঠিক করে যে আমরা যতটা সম্ভব ব্যাকফুটে খেলব। সোজা বড় শট মারতেও তো চাপ হচ্ছিল, তাই এক, দুই রান করে নেওয়া ছাড়া উপায়ও ছিল না। একটা সময় বেশ চাপেই পড়ে গিয়েছিলাম আমরা। সেই সময় আমায় জানানো হয় যে আমি যে শেষ অবধি ক্রিজে থাকার চেষ্টা করি এবং সেইমতোই নিজের ইনিংসটাও সাজাই আমি।' বলেন গিল।

আরও পড়ুন: শামির ৫ উইকেটের পর গিলের অনবদ্য সেঞ্চুরি, ৬ উইকেটে বাংলাদেশকে হারাল ভারত