লখনউ: শুরুটা খুব একটা ভাল হয়নি। এই ম্য়াচে সুযোগ পাওয়া যশস্বী জয়সওয়াল তেমন রান পাননি। তিনি মাত্র চার রানে আউট হন। তবে তারপরেই প্রথমে রোহিত শর্মার সঙ্গে এবং তারপর ঈশান কিষাণের (Ishan Kishan) সঙ্গে অনবদ্য পার্টনারশিপ গড়েন শুভমন গিল (Shubman Gill)। এই দুই পার্টনারশিপ এবং ঈশান ও গিলের অনবদ্য শতরানে ভর করেই লখনউয়ে রানের পাহাড়ে ভারত। প্রথমে ব্যাট করে টিম ইন্ডিয়া এক বল বাকি থাকতেই ৪০২ রানে অল আউট হয়ে গেল ভারত।

Continues below advertisement

এদিন টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন আফগান অধিনায়ক হাশমাতুল্লা শাহিদি। শুভমনও জানান তিনিও টস জিতলে প্রথমে বোলিংই করতেন। তবে টস হেরেও শুরুটা মন্দ করেনি ভারত। রোহিত শর্মা ও এদিন সুযোগ পাওয়া যশস্বী জয়সওয়াল ওপেন করতে নামেন। টেস্টে পাঁচ উইকেট নেওয়া মহম্মদ সালিম নিজের প্রথম ওভারেই চার রানে যশস্বীকে ফেরালেও শুভমন গিল কিন্তু রোহিতের সঙ্গে মিলে দ্রুত গতিতে দলের ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যান। রোহিতকেও বেশ ভাল ছন্দে দেখাচ্ছিল। তবে অর্ধশতরানের দোরগোড়ায় ৪৮ রানে রশিদ খান রোহিতকে বোল্ড করেন, ভাঙে ৮৭ রানের পার্টনারশিপ।

এরপর ইনিংসের হাল ধরেন গিল ও ঈশান কিষাণ। ছক্কা হাঁকিয়ে গিল নিজের অর্ধশতরান পূরণ করার পর দেখেশুনে এক, দুই রান করে ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। অপরপ্রান্ত পুরোদমে আক্রমণ শানাচ্ছিলেন ঈশান কিষাণ। ৫২ বলে নিজের অর্ধশতরান পূরণ করে ফেলেন ঈশান। তারপরে আরও আগ্রাসী হয়ে উঠেন তিনি। বিলাল সামির এক ওভারেই তিনটি বাউন্ডারি হাঁকান বাঁ-হাতি ব্যাটার। ঈশান যখন একপ্রান্ত আক্রমণ চালাচ্ছেন, তখন অপরপ্রান্তে ধীরে ধীরে এগোতে এগোতে ৭৭ বলে নিজের কেরিয়ারের নবম শতরান হাঁকিয়ে ফেলেন গিল। ভারতীয় অধিনায়কের সেঞ্চুরির পরপরই ৭১ বলে সেঞ্চুরি পূরণ করেন ঈশানও। তড়তড়িয়ে এগোচ্ছিল ভারতীয় ইনিংস।

Continues below advertisement

শেষমেশ খারোটির বলে বড় শট মারতে গিয়ে ১২৫ রানে আউট হন ঈশান। শুভমন গিলও ১৫০ রানের গণ্ডি পার করে অশুভমনোচিত রিভার্স স্যুইপ মেরে সাজঘরে ফেরেন। সাফল্য পান সেই খারোটে। পরের বলেই কেএল রাহুল ব্যাটে নেমেই বড় শট মারতে গিয়ে বাউন্ডারি লাইনে ধরা দেন। এরপর তো ভারত একের পর এক উইকেট হারাতে থাকে শেষমেশ চারশো রানের গণ্ডি পার করলেও, অস্বাভাবিক মনে লাগলেও, ভারত এক সময় যত রান করতে পারবে বলে মনে হচ্ছিল, টিম ইন্ডিয়া তত রান করতে পারেনি। এবার অপেক্ষা দ্বিতীয় ইনিংসের। সেখানে এই ম্যাচে অভিষেক ঘটানো প্রিন্স যাদবের দিকে বিশেষ নজর থাকবে।