বুলাওয়াও: ভারত ও পাকিস্তান (India vs Pakistan), দুই পড়শি দেশের মধ্যেকার সম্পর্ক বর্তমানে একেবারে তলানিতে। তা সে রাজনৈতিক হোক বা ক্রিকেটের ময়দান, ছবিটা একই। এই আবহেই গত বছর এশিয়া কাপে দুই দেশের সিনিয়র দল তিনবার একে অপরের মুখোমুখি হলেও, দুই দলের কোনও ক্রিকেটাররাই একে অপরের সঙ্গে করমর্দন করেননি। ছোটদের বিশ্বকাপেও সেই ধারা অব্যাহত থাকল।

Continues below advertisement

সপ্তাহান্তে ভারত এবং পাকিস্তানের জুনিয়র দল একে অপরের মুখোমুখি হয়েছে। দুই দলের এই ম্যাচের ফলাফলের ওপরে নির্ভর করেই নির্ধারিত হবে অনূর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের (U 19 World Cup 2026) চতুর্থ তথা শেষ সেমিফাইনালিস্ট। সেই ম্যাচের টসের সময়ও ঠিক সিনিয়রদের মতোই ভারত ও পাকিস্তানের জুনিয়ররাও একে অপরের সঙ্গে করমর্দন করলেন না। ভারতীয় অধিনায়ক আয়ুষ মাত্রে ও পাকিস্তানের অধিনায়ক ফারহান ইউসুফ টসের সময় নিজেদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে করমর্দন ছাড়াই এগিয়ে যান।

এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে টস জেতেন ফারহান। তিনি প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন। তবে ভারতীয় অধিনায়ক আয়ুষ মাত্রে জানান তিনি টস জিতলে প্রথমে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্তই নিতে। ভারতীয় দল এদিন প্রথমে ব্যাট করে বোর্ডে ২৫২ রান তোলে। টিম ইন্ডিয়ার জুনিয়রদের হয়ে বেদান্ত ত্রিবেদী সর্বাধিক ৬৮ রানের ইনিংস খেলেন। তবে সম্ভবত সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ পার্টনারশিপ আসে একেবারে শেষে। খিলান পটেল এবং কণিষ্ক চৌহান অষ্টম উইকেটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অর্ধশতরানের পার্টনারশিপ যোগ করেন। এই পার্টনারশিপই ভারতকে ২৫০ রানের গণ্ডি পার করতে সাহায্য করল। কণিষ্ক ৩৫ ও খিলান ২১ রানের ইনিংস খেলেন। 

Continues below advertisement

এদিন ভারতের হয়ে অ্যারন জর্জ এবং বৈভব সূর্যবংশী শুরুটা ভালই করেছিলেন। দুই ওপেনার ভারতকে ৫০ রানের গণ্ডি পার করানোর দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে চার বলের ব্যবধানে সবটা বদলে যায়। বৈভব জীবনদান পেয়েও পরের বলেই ৩০ রানে আউট হন। একই ওভারে ভারতীয় অধিনায়ক আয়ুষ মাত্রেকে খাতা খোলার আগেই ফেরান মহম্মদ সাইম। পরের ওভারেই অ্যারন জর্জ ১৬ রানে আউট হন।

এমন পরিস্থিতিতে বেদান্ত এবং বিহান মালহোত্র দলের ইনিংস সামলান। দুইজনে ৬২ রান যোগ করেন। তবে বিহানও ২১ রানের বেশি করতে পারেনি। নিরন্তর ব্যবধানে উইকেট হারাতে থাকা ভারতের হয়ে ৭৪ বলে পরিপক্ক অর্ধশতরান পূরণ করেন বেদান্ত। তিনি আউট হলে ভারতের আরও চাপ বাড়ে। একেবারে শেষের দিকে খিলান ও কণিষ্ক ব্যাট না চালালে বেশ চাপেই পড়তে হত ভারতকে। তবে লোয়ার মিডল অর্ডারের সৌজন্যেই বেশ মজবুত জায়গায় পৌঁছে যায় টিম ইন্ডিয়া জুনিয়ররা।