মুম্বই: সৈয়দ মুস্তাক আলি ট্রফিতে (Syed Mushtaq Ali Trophy) সুপার লিগে নিজেদের প্রথম ম্যাচে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে হারতে হয়েছিল। দ্বিতীয় ম্যাচেই হরিয়ানার বিরুদ্ধে দুর্দান্তভাবে ঘুরে দাঁড়াল মুম্বই শিবির। ঝোড়ো শতরান হাঁকালেন যশস্বী জয়সওয়াল। অর্ধশতরানের ইনিংস খেললেন সরফরাজ খানও। ২৩৫ রানের পাহাড়প্রমাণ লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করে জয় ছিনিয়ে নিল মুম্বই শিবির।
ম্যাচে,৪৮ বলে ঝোড়ো শতরান হাঁকালেন জয়সওয়াল। টি টোয়েন্টি ক্রিকেটে এই নিয়ে চতুর্থ শতরান পূরণ করে ফেললেন বাঁহাতি ওপেনার। নিজের ইনিংসে ১৬টি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কা মারেন এই তরুণ।
বিশাল রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে অজিঙ্ক রাহানে ২১ রান করেই আউট হন। এরপর জয়সওয়াল জুটি বাঁধেন সরফরাজের সঙ্গে। দুজনে মিলে জুটিতে মাত্র ৩৭ বলে ৮৮ রান বোর্ডে তোলেন। টেস্টে সেঞ্চুরির পরে জাতীয় দলে ব্রাত্য হওয়া সরফরাজ ২৫ বলে ৬৪ রানের ইনিংস খেলেন। ম্যাচের সেরার পুরস্কার পাওয়ার সময় সরফরাজকে ডেকে নেন জয়সওয়াল।
ভারতীয় দলে জয়সওয়াল টি টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে সুযোগ পান না। গিল ও অভিষেক ওপেন করছেন বর্তমানে দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজে। কিন্তু গিলকে কুড়ির ফর্ম্যাটে খেলানো নিয়ে বিস্তর সমালোচনার মধ্যে পড়তে হচ্ছে টিম ম্যানেজমেন্টকে। এর মধ্যে জয়সওয়াল এই ইনিংস খেলে কিন্তু নির্বাচকদের বার্তা দিলেন।
শনিবার অন্ধ্রপ্রদেশ বনাম মধ্যপ্রদেশের ব্যাটে নীতীশ কুমার রেড্ডির দুরন্ত অলরাউন্ড পারফরম্যান্স সত্ত্বেও তাঁর দল হারল। তাঁর দল প্রথমে ব্যাট করে মাত্র ১১২ রানে গুটিয়ে গিয়েছিল। তিনি ২৫ রানের ইনিংস খেলেন। নীতীশ রেড্ডি তৃতীয় ওভারের চতুর্থ বলে হর্ষ গাওলির উইকেট নেন, তিনি ৫ রান করেন। এটি ছিল মধ্য প্রদেশের প্রথম উইকেট। এর পরের বলে তিনি নতুন ব্যাটসম্যান হরপ্রীত সিংহ ভাটিয়াকে ক্যাচ আউট করেন। ওভারের শেষ বলে রেড্ডি অধিনায়ক রজত পাতিদারকে বোল্ড করেন। তবে ১১৩ রানের লক্ষ্য খুবই কম ছিল। শেষমেশ ১৭.৩ ওভারে ম্য়াচ জিতে মধ্যপ্রদেশ।
পাঞ্জাব বনাম ঝাড়খণ্ডের এক হাইস্কোরিং ম্যাচে সলিল আরোরা দুরন্ত শতরান হাঁকান। পাঞ্জাব এক সময়ে ২৮ রানে দুই উইকেট হারিয়ে ফেললেও শেষমেশ নির্ধারিত ২০ ওভারে ২৩৫ রান তোলে। সলিল ১২৫ রানের ইনিংস খেলেন। তবে ঝাড়খণ্ডের কুমার কুশাগ্রর ৪৬ বলে অপরাজিত ৮২ রানের ইনিংসে ভর করে ঝাড়খণ্ড দুরন্ত জয় পায়।