চণ্ডীগড়: রশিদ খান। আফগানিস্তানের এই স্পিনার বিশ্বের তাবড় তাবড় ব্যাটারদের কাছে ত্রাস। আইপিএল হোক দেশর জার্সিতে হোক, বিশ্বের যে কোনও ক্রিকেটের মঞ্চে রশিদ খান মানেই ব্যাটারদের ত্রাস। স্পিনের ছোবলে বারবার বিপদে ফেলেছেন। কিন্তু ডানহাতি লেগস্পিনারের এবারের আইপিএল পারফরম্য়ান্স একেবারেই পাতে দেওয়ার মত নয়। গোটা মরশুম জুড়েই সেভাবে ভাল পারফর্ম করতে পারেননি। আর মুম্বই ইন্ডিয়ান্স ম্যাচের পর লজ্জার এক রেকর্ড গড়ে ফেললেন রশিদ খান। মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে ৪ ওভারে ৩১ রান খরচ করেছেন রশিদ খান শুক্রবার। যদিও কোনও উইকেট পাননি তিনি। 

চলতি আইপিএলে গুজরাত টাইটান্স আর মাঠে নামবে না। প্লে অফের এলিমিনেটরে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের বিরুদ্ধে হেরে গিয়েছে গুজরাত গতকাল। ম্য়াচের শেষে পরিসংখ্যাণ দেখাচ্ছে রশিদ খান এবারের মরশুমে মোট ৩৩ টি ছক্কা হজম করেছেন। যা আইপিএলে এক মরশুমে যে কোনও বোলারের পাওয়া সর্বাধিক উইকেট। এর আগে এই লজ্জার রেকর্ড ছিল মহম্মদ সিরাজের ঝুলিতে। তিনি ২০২২ মরশুমে মোট ৩১টি ছক্কা হাঁকিয়েছিলেন।  

এবছর রশিদ একেবারেই ইকনমিকাল ছিলেন না গোটা মরশুমে। কোনও কোনও ম্য়াচে তো ব্যাটাররা শুধুমাত্র রশিদকেই আক্রমণ করে রান তুলেছেন। এবার ৩০ এর বেশি উইকেট ঝুলিতে পুরেছেন রশিদ, চাহাল দুজনেই।

রশিদের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে টি-টোয়েন্টি ফর্ম্য়াটে বোলিং রেকর্ড যদিও বেশ ঈর্ষণীয়। ৯৬টি ম্য়াচে মোট ১৬১ উইকেট নিয়েছেন তিনি। ইকনমি রেট মাত্র ৬.০৮। তিনিই এই ফর্ম্যাটে দ্রুততম ১০০ উইকেট নিয়েছিলেন। এছাড়া টিম সাউদির পর কুড়ির ফর্ম্য়াটে দ্বিতীয় সর্বাধিক উইকেটের মালিক। রশিদই বিশ্বের এক মাত্র বোলার যার এই ফর্ম্য়াটে চারটি হ্যাটট্রিক রয়েছে। এত কিছুর পরও এবারের আইপিএল ভুলতে চাইবেন রশিদ। 

এদিকে, গুজরাতের বিরুদ্ধে জয়ের পর ম্যাচ শেষে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে বুমরার মূল্য বুঝতে মুম্বইয়ের বাড়ির দরের তুলনা টেনে আনেন হার্দিক পাণ্ড্য। তিনি বলেন, 'বিষয়টা খুব সহজ। যখনই মনে হবে ম্যাচ হাত থেকে ফস্কে যাচ্ছে, তখনই বুমরার হাতে বল দিয়ে দাও। ওর থাকাটা আমাদের জন্য় বড় বিলাসিতা। ও অনেকটা মুম্বইয়ের বাড়িগুলির মতো, ওতটাই দামি। আমি স্কোরবোর্ডের দিকে দেখছিলাম আর মনে মনে হিসাব করছিলাম যে শেষের দিকে আমাদের হাতে রান থাকার দরকার। তাই বুমরার ওই সময়ে বোলিংয়ে আসাটা জরুরি ছিল।'