আমদাবাদ: গুজরাত টাইটান্সের বিরুদ্ধে এবারের আইপিএলে নিজেদের শেষ ম্য়াচটি খেলে ফেলল চেন্নাই সুপার কিংস। গোটা টুর্নামেন্ট ভাল না গেলেও শেষ ম্য়াচে ৮৩ রানের বিশাল ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে পাঁচবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়ন দলটি। ম্য়াচ জেতার পরই ধোনির দিকে এই প্রশ্ন যে উড়ে আসবে, তা জানাই ছিল। এলও তাই। ৪৪ ছুঁয়েছেন। আগামী মরশুমে আইপিএলেও কি দেখা যাবে এমএসডিকে? এতদিন ধরে তাঁর অসবর সম্ভাবনা নিয়ে হাজারো কথা, হাজারবার প্রসঙ্গ উঠেছে। আজ সেই ইস্যুতে নিজে ফের মুখ খুললেন ধোনি।
গুজরাত টাইটান্সকে হারানোর পর পুরস্কার বিতরণী মঞ্চে এসে ধোনি বলেন, ''কোনও ক্রিকেটার যদি শুধুমাত্র তাঁর পারফরম্য়ান্সের ভিত্তিতে অবসর নেন, তাহলে তো অনেকেই ২২ বছর বয়সেই অবসর নিয়ে নিতে পারেন। কিন্তু তা আসলে হয় না। আমার সামনে এখন ৪-৫ মাস সময় রয়েছে। আমি এই মুহূর্তে ক্রিকেট নিয়ে ভাবতে চাই না। রাঁচি ফিরে বাইক রাইডে যেতে চাই। সময় কাটাতে চাই। দেখি কেমন যায় আমার শরীর আগামী কয়েক মাসে। কতটা ফিট থাকতে পারি, তার ওপর নির্ভর করেই হয়ত পরের মরশুমে খেলব কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেব। আমি এটা বলব না যে আমার খেলা শেষ। আবার এটাও বলব না যে আমি আগামী মরশুমে আসবই ফিরে। পুরোটাই সময় ও পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করছে।''
এদিন প্রথমে ব্যাটিং করতে নেমে বাের্ডে ২৩০ রান তুলে নেয় চেন্নাই সুপার কিংস। পাহাড়প্রমাণ লক্ষ্যমাত্রা ছিল। কিন্তু গুজরাতের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইন আপ এবারের আইপিএলে যে ফর্মে রয়েছে, তাতে মনে হয়েছিল যে এই ম্য়াচেও রান তাড়া করে জয় ছিনিয়ে নিতে পারবে গুজরাত শিবির। কিন্তু আদতে তা হল না। বরং তাসের ঘরের মত ভেঙে পড়ল শক্তিশালী গুজরাত টাইটান্সের ব্যাটিং লাইন আপ। রান পেলন না শুভমন গিল, জস বাটলার কেউই। অনশুল কম্বোজের বলে প্রথমে ফিরলেন গিল। ৯ বলে ১৩ রান করে ফিরলেন তিনি। বাটলারকে ফিরিয়ে দিলেন খলিল আহমেদ। মাত্র ৫ রান করে ফেরেন তিনি। খাতা খোলার আগেই অনশুলকে ফিরিয়ে দেন কম্বোজ। তরুণ এই পেসার কিন্তু দিনের পর দিন যত ম্য়াচ খেলছেন নিজেকে ততই ক্ষুরধার করে তুলছেন। এদিন ২.৩ ওভারের স্পেলে ১৩ রান খরচ করে ৩ উইকেট তুলে নিলেন একাই। রবীন্দ্র জাডেজা ২ উইকেট নেন। গুজরাতের মিডল অর্ডারে শাহরুখ খান, রাহুল তেওয়াটিয়া ও রশিদ খান কেউই বড় রান পাননি। যার জন্য ২৩১ রানের লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছানো চাপের হয়ে যায় গুজরাতের জন্য। টেল এন্ডারদের মধ্যে আর্শাদ খান ১৪ বলে তিনটি ছক্কার সাহায্য়ে ২০ রান করেন। তবে ম্য়াচ বাঁচাতে পারেননি।