ধরমশালা: ঘরের মাঠে লখনউয়ের বিরুদ্ধে ম্য়াচ পঞ্জাবের। কেকেআর ম্য়াচের পর এই ম্য়াচ ২ দলের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই পরিস্থিতিতে নির্ধারিত ২০ ওভারে বোর্ডে রান তুলে নিল পঞ্জাব কিংস। আরও একবার দুর্দান্ত ইনিংস খেললেন তরুণ ওপেনার প্রভসিমন সিংহ। ৪৮ বলে ৯১ রানের ঝোড়ো ইনিংস এল তাঁর ব্যাট থেকে। মাঝে যোগ্য সঙ্গ দিলেন শ্রেয়স আইয়ার। শেষবেলায় ক্যামিও ইনিংস খেললেন শশাঙ্ক সিংহ। নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হারিয়ে বোর্ডে ২৩৬ রান তুলে নিল পঞ্জাব কিংস।

এদিন টস জিতে প্রথমে ফিল্ডিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ঋষভ পন্থ। বিকেলের প্রথম ম্য়াচে কেকেআর রাজস্থানকে হারিয়ে এই মুহূর্তে পয়েন্ট টেবিলের ষষ্ঠ স্থানে উঠে এসেছে। এই পরিস্থিতিতে পন্থ বাহিনী এখন সাত নম্বরে রয়েছে পয়েন্ট টেবিলে। এদিন লখনউ খেলিয়েছিল তরুণ পেসার আকাশ মহারাজ সিংহকে। এদিন শুরুর ধাক্কাটা তিনিই দিলেন পঞ্জাব শিবিরে। মাত্র ১ রান করে আকাশের বলে আউট হয়ে ফিরে গেলেন প্রিয়াংশ আর্য। জশ ইংলিশ ১টি বাউন্ডারি ও চারটি ছক্কার সাহায্যে ১৪ বলে ৩০ রানের ইনিংস খেলেন। তবে তাঁকেও ফিরিয়ে দেন আকাশই। এরপর শ্রেয়স ও প্রভসিমরন মিলে দলের হাল ধরেন। চলতি আইপিএলে ধারাবাহিকভাবে ভাল খেলে যাচ্ছেন প্রভসিমরন। এদিনও তাঁর ব্য়তিক্রম হল না। ৪৮ বলে ৯১ রানের ঝোড়ো ইনিংস খেললেন। নিজের ইনিংসে ছয়টি বাউন্ডারি ও সাতটি ছক্কা হাঁকান।

শ্রেয়স আইয়ারও উল্টোদিকে শুরুতে স্লথ খেললেও ধীরে ধীরে হাত খোলেন। শেষ পর্যন্ত ২৫ বলে ৪৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। চারটি বাউন্ডারি ও দুটো ছক্কা হাঁকান কেকেআর অধিনায়ক। তবে প্রভসিমরনকে থামানাে যায়নি। যেই ছন্দে ছিলেন, সেই ছন্দেই রান তুলতে থাকেন দ্রুত। উল্টোদিকে নেহাল ওয়াধেরা ৯ বলে ১৬ রানের ইনিংস খেলেন। প্রভসিমরন ফিরে যাওয়ার পর শশাঙ্ক সিংহ ও মার্কাস স্টোইনিস এসে দলের হাল ধরেন। দুজনে মিলে দলের স্কোর ২৩৬ এ পৌঁছে দেন। বিশেষ করে শশাঙ্ক সিংহ। যখনই সুযোগ পাচ্ছেন তা দারুণভাবে কাজে লাগাচ্ছেন। এদিনও ব্যতিক্রম হয়নি। 

১৫ বলে অপরাজিত ৩৩ রানের ইনিংসে চারটি বাউন্ডারি ও একটি ছক্কা হাঁকান। মার্কাস স্টোইনিস ১টি বাউন্ডারি ও ১টি ছক্কার সাহায্য়ে ৫ বলে ১৫ রানের ইনিংস খেলে অপরাজিত থেকে যান।