মুম্বই: ম্যাচ জিততে লখনউ সুপার জায়ান্টসের (MI vs LSG) সামনে ছিল রেকর্ড রানের লক্ষ্য। তবে সামনে যখন প্রতিপক্ষের হয়ে যশপ্রীত বুমরা (Jasprit Bumrah) মাঠে নামেন, তখন চ্যালেঞ্জটা যে কয়েকাংশে বেড়ে যায়, তা বলাই বাহুল্য। লখনউয়ের হয়ে মিচেল মার্শ, আয়ুষ বাদোনিরা চেষ্টা করেন বটে, তবে কেউই খুব বড় রান করতে পারেননি। ২১৬ রান তাড়া করে ম্যাচ জয়ের জন্য মার্শদের ইনিংস একেবারেই যথেষ্ট ছিল না। শেষমেশ ১৬১ রানেই থামল লখনউ। টানা পাঁচ ম্যাচ জিতে প্লে-অফের পথে আরও একধাপ এগিয়ে গেল মুম্বই। আর ম্যাচে চার উইকেট নিয়ে বুমরা প্রমাণ করলেন যে তিনি ফের একবার নিজের সেরা ফর্মের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছেন। 

লখনউ সুপার জায়ান্টসের হয়ে চলতি মরশুমে টপ অর্ডারের তিন তারকাই সর্বাধিক রান করেছেন। তাই ম্যাচ জিততে মিচেল মার্শদের শান্ত রাখাটা, অল্প রানে সাজঘরে ফেরানোটা খুব জরুরি ছিল। ঠিক সেটাই করেন মুম্বই বোলাররা। শুরু থেকেই ছন্দে দেখাচ্ছিল না এডেন মারক্রামকে। তিনি শেষমেশ নয় রানে আউট হন। তাঁকে সাজঘরে ফিরিয়েই যশপ্রীত বুমরা পল্টনদের হয়ে সর্বকালের সর্বোচ্চ উইকেটসংগ্রাহক হয়ে যান। লাসিথ মালিঙ্গাকে পিছনে ফেলেন তিনি। তাঁর উইকেট সংখ্যা দাঁড়ায় ১৭১ রান।

মারক্রাম আউট হওয়ার পর ব্যাটে নেমে নিকোলাস পুরানের কিন্তু দুরন্ত ফর্মে ছিলেন। হু হু করে তিনি রান করছিলেন। তবে এক ওভারে জোড়া ধাক্কা দেন উইল জ্যাকস। ২৭ রানে পুরানকে ফেরানোর পর একই ওভারে ঋষভ পন্থকেও সাজঘরে ফেরান তিনি। তবে পরপর দুই উইকেট হারানোর পর মিচেল মার্শ ও আয়ুষ বাদোনি ইনিংস সামলান। তাঁদের দৌরাত্ম্যেই ১০ ওভারে ১০০ রানের গণ্ডি পার করে ফেলে। রান তাড়া করার পথে বেশ ভাল জায়গাতেই ছিল লখনউ।

তবে মার্শ বোল্টের বলে ৩৪ রানে আউট হতেই লখনউয়ের ব্যাটিংয়ে ধস নামে। বলা ভাল ধস নামান বুমরা। এক ওভারে সেট বাদোনিসহ মোট তিনটি উইকেট নেন বুমরা। ছন্নছাড়া হয়ে যায় লখনউয়ের বোলিং ইনিংস। চার উইকেট নেন বুমরা। ১৫০ রানের আগে আট উইকেট পড়ায় মুম্বইয়ের জয় কেবল সময়ের অপেক্ষাই ছিল। শেষমেশ ১৬১ রানেই শেষ হয়ে যায় লখনউ ইনিংস। এই ম্যাচ জিতে লিগ তালিকায় দুই নম্বরে উঠে এল মায়ানগরীর ফ্র্যাঞ্চাইজি।