গুয়াহাটি: ম্যাচ শুরুর আগেই টসের সময় নাইট সমর্থকদের জন্য দুঃসংবাদ দিয়েছিলেন অজিঙ্ক রাহানে। শরীর খারাপের জন্য সুনীল নারাইন রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে (RR vs KKR) খেলতে মাঠে নামতে পারেননি। তাঁর অনুপস্থিতিতে কেকেআরের বোলিং আক্রমণ অনেকটাই দুর্বল হয়ে যাবে বলে মনে করছিলেন অনেকে। তবে হল তাঁর উল্টো। নারাইনের বদলি হিসাবে সুযোগ পাওয়া মঈন আলি (Moeen Ali) তো নজর কাড়লেনই। তাঁর পাশাপাশি প্রতিটি কেকেআর বোলারই পেলেন সাফল্য। 

কেকেআরের দুরন্ত বোলিংয়ে নির্ধারিত ২০ ওভারে কোনওক্রমে নয় উইকেটের বিনিময়ে ১৫১ রান তুলল রাজস্থান ব়য়্যালস। রাজস্থানের হয়ে ধ্রুব জুরেল সর্বাধিক ৩৩ রানের ইনিংস খেলেন। এদিন টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কেকেআর অধিনায়ক রাহানে। যশস্বী জয়সওয়াল এবং সঞ্জু স্যামসন শুরুটা মন্দ করেননি। রানের গতি বাড়াতে গিয়ে ১৩ রানে বোল্ড হন সঞ্জু স্যামসন। তা সত্ত্বেও পাওয়ার প্লের ছয় ওভারে ৫৪ রান তোলে রয়্যালস।

কিন্তু স্পিন বোলিং আক্রমণে আসতেই বদলায় ছবিটা। বরুণ চক্রবর্তীর (Varun Chakravarthy) বলে রিয়ান পরাগকে সাজঘরে ফিরতে হয়। ঘরের মাঠে বেশ ভাল ছন্দে দেখাচ্ছিল রিয়ান পরাগকে। তবে ২৫ রানে তাঁকে সাজঘরে ফিরতে হয়। এরপর তো কেবল আসা আর যাওয়ার পালা। পরপর তিন ওভারে আরও তিন উইকেট পড়ে। তিন উইকেটই মঈন আলি ও বরুণ চক্রবর্তী ভাগাভাগি করে নেন। হাসারাঙ্গাকে পিঞ্চ হিটার হিসাবে মাঠে নামানোর কৌশলও কাজে লাগেনি। নাইট প্রাক্তনী নীতীশ রানার সংগ্রহ মাত্র চার।

 

নিরন্তর উইকেট হারিয়ে কখনই ইনিংসে গতি পায়নি রাজস্থান। একমাত্র ধ্রুব জুরেলই খানিকটা লড়ছিলেন। তবে তাঁকেও ৩৩ রানে ফিরতে হয়। স্পিনারদের পরে সাফল্য পান ফাস্ট বোলাররা। এক ওভারে জুরেল ও হেটমায়ারকে ফেরান হর্ষিত রানা। শুভম দুবেকে আউট করেন বৈভব। শেষের দিকে জোফ্রা আর্চার ১৬ রানের ছোট্ট ইনিংস খেলেন। তার ইনিংসের সুবাদেই ১৫০ রানের গণ্ডি পার করতে সক্ষম হয় রাজস্থান। তবে ইনিংসের শেষ ওভারে তাঁকে ফেরান স্পেনসার জনসন। ১৫১ রানে থামে রাজস্থান। ১৫২ রানের লক্ষ্য খুব কঠিন হওয়ার কথা নয়। এবার দেখার কেকেআর এই রান তাড়া করতে পারে কি না।