লখনউ: ম্যাচ শুরু হতে তখনও পৌনে এক ঘণ্টা বাকি। লখনউয়ের একানা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে দেখা গেল টিম হাডল করছে মুম্বই ইন্ডিয়ান্স (Mumbai Indians)। ক্যামেরা জুম ইন করতে দেখা গেল, সূর্যকুমার যাদবের (Suryakumar Yadav) হাতে বিশেষ একটি জার্সি তুলে দিচ্ছেন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মেন্টর কায়রন পোলার্ড। লখনউ সুপার জায়ান্টসের বিরুদ্ধে শুক্রবারের ম্যাচ মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের জার্সিতে ছিল স্কাইয়ের সেঞ্চুরি ম্যাচ। অষ্টম ক্রিকেটার হিসাবে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে আইপিএলে শততম ম্যাচ খেললেন সূর্যকুমার।
ব্যাট হাতে কেরিয়ারের মাইলফলক ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখার চেষ্টার কসুর করেননি স্কাই। যাঁকে আধুনিক ক্রিকেটের মিস্টার থ্রি সিক্সটি ডিগ্রি বলা হয়। উইকেটের সব দিকে শট খেলতে পারেন বলে। এ বি ডিভিলিয়ার্সের মতোই।
লখনউ সুপার জায়ান্টসের ডেরায় ২০৪ রান তাড়া করতে নেমে মুম্বইয়ের স্কোর তখন ১৭/২, ২.২ ওভারে ফিরে গিয়েছেন পাঁচবারের আইপিএল চ্যাম্পিয়নদের দুই ওপেনার - উইল জ্যাকস ও রায়ান রিকেলটন। ক্রিজে নামলেন সূর্য। ৩১ বলে হাফসেঞ্চুরি। যতক্ষণ ক্রিজে ছিলেন, লড়াইয়ে ছিল মুম্বই।
কিন্তু আবেশ খানের বলে থ্রি সিক্সটি ডিগ্রি শট খেলতে গিয়েই আউট হলেন স্কাই। ৪৩ বলে ৬৭ রান করে। মুম্বইয়ের ম্যাচ জেতার স্বপ্নও যেন সেখানেই ভঙ্গ হল।
হার্দিক পাণ্ড্য শেষ দিকে চেষ্টা করেছিলেন। শেষ ওভারে দরকার ছিল ২২ রান। আবেশ খানের প্রথম বলেই ছক্কা মারেন হার্দিক। কিন্তু তারপরেও ১৯১/৫ স্কোরে আটকে গেল মুম্বই। ১২ রানে ম্যাচ জিতে নিল লখনউ সুপার জায়ান্টস। শেষ ওভারে মাত্র ৯ রান খরচ করে মুম্বইয়ের আশায় জল ঢাললেন আবেশ।
ব্যাট হাতে ফের ব্য়র্থ ঋষভ পন্থ। এদিনও রান পাননি লখনউ সুপার জায়ান্টসের অধিনায়ক। তবে পন্থের ব্যর্থতা ঢেকে দিলেন এইডেন মারক্রাম ও মিচেল মার্শ। দুজনই ঝোড়ো হাফসেঞ্চুরি করলেন। হার্দিক বল হাতে ৫ উইকেট নিলেন। প্রথম অধিনায়ক হিসাবে আইপিএলে পাঁচ উইকেট হার্দিকের। ব্যাট হাতেও চেষ্টা করলেন অধিনায়ক। নমন ধীরের সঙ্গে ৩৫ বলে ৬৯ রান যোগ করে যে মঞ্চ সাজিয়েছিলেন স্কাই, তার ওপর দাঁড়িয়ে ১৬ বলে ২৮ রানের অপরাজিত ইনিংস খেললেন। তবু শেষরক্ষা হল না মুম্বইয়ের।