লখনউ: সম্ভবত এ বারের আইপিএল (IPL 2025) মরশুমের সবথেকে ইনফর্ম এবং বিধ্বংসী টপ অর্ডারের বিরুদ্ধে আজ মাঠে নেমেছিলেন মিচেল স্টার্করা। লখনউ সুপার জায়ান্টস নিজেদের ঘরের মাঠে শুরুটাও দারুণ করেছিল। অর্ধশতরান হাঁকিয়েছিলেন ওপেনার এডেন মারক্রাম (Aiden Markram)। ওপেনিংয়ে মিচেল মার্শের (Mitchell Marsh) সঙ্গে যোগ করেছিলেন ৮৭ রান। তবে ইনিংসের দ্বিতীয়ার্ধে দারুণ কামব্যাক করল দিল্লি ক্যাপিটালস। সৌজন্যে মুকেশ কুমার (Mukesh Kumar)।

লখনউয়ের বিরুদ্ধে চার উইকেট নিলেন বাংলার ফাস্ট বোলার। নিয়মিত উইকেট হারিয়ে কোনওক্রমে ১৫০ পার করল লখনউ। ছয় উইকেটে ১৫৯ রানেই থামল তাদের ইনিংস। হোম টিমের হলে দুই ওপেনার এডেন মারক্রাম ও মিচেল মার্শ অবশ্য বেশ ভালই খেলেন। মারক্রাম অর্ধশতরানও হাঁকান। তবে যে পিচে জয়ের জন্য দু'শো রান প্রয়োজনীয় বলে সিংহভাগ বিশেষজ্ঞরাই দাবি করছিলেন, সেখানে ১৫৯ যে কাঙ্খিত লক্ষ্যের থেকে বেশ খানিকটা কম, তা বলাই বাহুল্য।

শুরুটা অবশ্য ঠিকঠাকই হয়েছিল। পাওয়ার প্লেতে বিনা উইকেটে ৫১ রান খুব বেশি না হলেও, বড় রানের ভিত গড়ার জন্য যথেষ্ট। বিশেষত মারক্রাম যেমনভাবে ব্য়াটিং করছিলেন, মনে হচ্ছিল লখনউ হেসেখেলেই দু'শো রান করবে। তবে নিজের অর্ধশতরান পূরণ করার পর দুষমন্ত চামিরার বিরুদ্ধে বড় শট মারতে গিয়েই ৫১ রানে আউট হন মারক্রাম। স্বপ্নের ফর্মে থাকা নিকোলাস পুরানও এদিন বেশিদূর এগোতে পারেননি। সাত ইনিংসে পঞ্চমবার তাঁকে সাজঘরে ফেরত পাঠান মিচেল স্টার্ক। দুই ইনফর্ম ব্যাটার আউট হওয়ার পর ইনিংস এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্বে ছিলেন মার্শ। তাঁকে ক্রিজে যোগ দেন আব্দুল সামাদ।

তবে সামাদ রান পাননি। তাঁকে ফেরান মুকেশ কুমার। এই শুরু। এরপর একের পর এক সাফল্য পান তিনি। সকলকে খানিকটা অবাক করেই এদিন ঋষভ পন্থ নিজে না নেমে বাকিদের আগে ব্যাট করতে পাঠান। তবে তাঁর পরিবর্তে নামা সামাদ, ডেভিড মিলারদের কাউকেই তেমন ছন্দে দেখায়নি। মার্শ ৪৫ রানে সাব হিসাবে নামা আয়ুষ বাদোনি অবশ্য চেষ্টা করেন। বিশতম ওভারের প্রথম তিন বলে তিন চার মেরে শুরুটাও তিনি ভালই করেছিলেন। তবে মুকেশ তাঁকেও ৩৬ রানে ফেরান। অবশেষে সাত নম্বরে নামেন ঋষভ পন্থ। তবে লখনউ অধিনায়ক দুই বল খেলে কোনও রানই পাননি। বরং ইনিংসের শেষ বলে তিনি আউট হন। এবার ১৬০ রানের লক্ষ্য লখনউ বোলাররা ডিফেন্ড করতে পারেন কি না।