গুয়াহাটি: নীতীশ রানার (Nitish Rana) বিধ্বংসী ইনিংসের সুবাদে এক সময় মনে হচ্ছিল রাজস্থান রয়্যালস আজ সহজেই দু'শো রানের গণ্ডি পার করে ফেলবে। তবে দুই আমেদের নিয়ন্ত্রিত বোলিং এবং লোয়ার অর্ডারের ব্যর্থতায় তা হল না। রাজস্থানকে নয় উইকেটে ১৮২ রানেই বেঁধে রাখল চেন্নাই সুপার কিংস (RR vs CSK)। রাজস্থানের হয়ে নীতীশ রানা সর্বোচ্চ ৮১ রানের ইনিংস খেলেন। হলুদ ব্রিগেডের হয়ে খলিল আমেদ (Khaleel Ahmed), নুর আমেদ (Noor Ahmed) এবং ফাস্ট বোলার মাথিশা পাথিরানা দুইটি করে উইকেট নেন।


তবে রিয়ান পরাগ বাদে রাজস্থান রয়্যালসের মিডল অর্ডারের কেউ তেমন রান না পওয়ায় দু'শো রানের গণ্ডি পার করা অধরাই রয়ে গেল। অবশ্য এক পরিসংখ্যান কিন্তু রাজস্থান রয়্যালস সমর্থকদের বেশ আনন্দই দেবে। ২০১৯ সাল অর্থাৎ বিগত ছয় মরশুমে সিএসকে ১৭৫-র অধিক রান তাড়া করে ম্যাচ জিততে ব্যর্থ হয়েছে। আজ হয় সেই রেকর্ড অব্যাহত থাকবে, না হয় অবশেষে তার থেকে অব্যাহতি মিলবে।


 






 


আজ টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন সিএসকে অধিনায়ক রুতুরাজ গায়কোয়াড়। শুরুতে যশস্বী চার রানে আউট হলেও নীতীশ ব্য়াট করতে নেমেই বিধ্বংসী মেজাজে ব্যাটিং করা শুরু করেন। পাওয়ার প্লেতেই তিনি ৫৮ রান যোগ করেন। ২১ বলে পূরণ করেন অর্ধশতরান। সঞ্জু স্যামসন অবশ্য খুব বেশি রান করতে পারেননি। ২০ রানে তাঁকে ফেরান নুর। তড়তড়িয়ে শতরানের দিকে এগিয়ে যাওয়া নীতীশ রানাকে থামায় অশ্বিন ও ধোনি জুটি।


রিয়ান পরাগ ৩৭ রানের ইনিংস খেলেন বটে, তবে হাসারাঙ্গা, ধ্রুব জুরেলরা রান পাননি। শিমরন হেটমায়ার খানিক চেষ্টা করছিলেন বটে, তবে তাঁর ইনিংসও ১৯ রানে থামে। দুরন্ত ফিল্ডিংয়ে পরপর উইকেট তুলে নেয় সিএসকে। শেষ ছয় ওভারে ৪২ রানের বিনিময়ে পাঁচ উইকেট হারায় রাজস্থান। ফলে রাজস্থানের দু'শো আর হল না। এবার দেখার রাজস্থান রয়্যালস বোলাররা কী করেন। তাঁরা নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে দলকে মরশুমের প্রথম জয় এনে দিতে পারেন কি না।