মুল্লানপুর: দিন দু'য়েক আগেই রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরুর ঘরের মাঠে পঞ্জাব কিংস দুরন্ত জয় পেয়েছিল। তবে সেই পাশা পাল্টাতে খুব বেশি সময় লাগল না। রবিবাসরীয় সন্ধেতে কিংসের ঘরের মাঠে সহজ জয় পেল আরসিবি। ম্যাচে অপরাজিত ৭৩ রানে দলের জয় সুনিশ্চিত করেন বিরাট কোহলি, ম্যাচ সেরাও হন। সাত বল বাকি থাকতে সাত উইকেটে ম্যাচ জেতে আরসিবি।

তবে এই জয়ের পরেই খানিক ঝামেলাতেই জড়ান কোহলি। বিরাট কোহলি যে কখনই আবেগ লুকিয়ে রাখেন না, তা সকলেই জানেন। জাতীয় দলের সতীর্থ হোক বা প্রতিপক্ষ, আইপিএলে কোহলি তাঁর প্রতিপক্ষে যেই থাকুন না কেন, তাঁকে বরাত করেন না। অতীতে গম্ভীর-কোহলির ঝামেলা তো সকলেই জানেন। এবার সতীর্থ শ্রেয়স আইয়ারের সঙ্গে আজকের ম্যাচশেষে খানিকটা কথা কাটাকাটিতে জড়ান কোহলি। 

কোহলি ও শ্রেয়স আইয়ারের মধ্যে সুসম্পর্ক রয়েছে বলেই সকলে জানেন। তবে এদিন জীতেশ শর্মা আরসিবির হয়ে জয়সূচক ছক্কাটি হাঁকানোর সঙ্গে সঙ্গেই কোহলিকে শ্রেয়সের দিকে ঘুরে উদ্দাম সেলিব্রেশনে মাততে দেখা যায়। সেলিব্রেশন শেষে কোহলির হাসি বলে দিচ্ছিল গোটাটাই মজার ছলে শ্রেয়সকে খোঁচা দেওয়ার জন্যই করা হয়েছে। তবে শ্রেয়স পুরো বিষয়টা ভালভাবে নেননি বলেই মনে হয়। ম্যাচশেষে নিয়ম মেনে করমর্দনের সময় কোহলি ও শ্রেয়সকে কথা বলতে দেখা যায়। সেখানে পঞ্জাব অধিনায়কের অঙ্গভঙ্গিতে স্পষ্ট বিরক্তির ছাপ দেখা যায়। তবে খানিকটা পরে অবশ্য দুইজন একে অপরকে জড়িয়েও ধরেন। তাই গোটা বিষয়টা এখানেই সমাপ্ত হয়ে গিয়েছে বলে ধরে নেওয়াই যায়।

 

১৫৮ রানের লক্ষ্য়মাত্রা তাড়া করতে নেমেছিল রয়্য়াল চ্যালেঞ্জার্স বেঙ্গালুরু। এদিন অবশ্য রান পাননি ফিল সল্ট। মাত্র ১ রান করেই ফিরে যান অর্শদীপ সিংহের বলে ইংল্য়ান্ডের উইকেট কিপার ব্য়াটার। এরপর দেবদত্ত পড়িক্কল ও বিরাট কোহলি মিলে দলের জয়ের পথ সুগম করে তোলার চেষ্টা করতে থাকেন। কোহলি শুরুতে একটু ধীরে ধীরে খেললেও দেবদত্ত চালিয়ে খেলছিলেন। তিনি ৫টি বাউন্ডারি ও ৪টি ছক্কার সাহায্যে ৩৫ বলে ৬১ রানের ইনিংস খেলেন বাঁহাতি দেবদত্ত। আগের দিন চাহাল একাই ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছিলেন আরসিবি ব্যাটারদের সামনে। এমনকী তার আগে কেকেআরের বিরুদ্ধে ম্য়াচেও নায়ক ছিলেন তিনিই। এদিন নিজের ৪ ওভারের স্পেলে ৩৬ রান খরচ করলেও ১ উইকেট নেন তিনি।