মুম্বই: শুরুটা খুব একটা ভাল হয়নি। প্রথম ওভারেই রায়ান রিকেলটনেক হারিয়েছিল মুম্বই ইন্ডিয়ান্স। তিন ওভার পরে রোহিত শর্মাও ফেরেন। মাঝে অবশ্য সূর্যকুমার যাদব ও উইল জ্যাকস (Will Jacks) দুরন্তভাবে গুজরাত টাইটান্স বোলারদের চাপে ফেলে দলকে এগিয়ে নিয়ে যান। ৭১ রানের পার্টনারশিপও গড়েন তাঁরা। জ্যাকস অর্ধশতরান হাঁকান। তবে সূর্যকুমার যাদব (SuryaKumar Yadav) আউট হতেই তাসের ঘরের মতো ভাঙে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের ব্যাটিং লাইন আপ।

২৬ রানের ব্যবধানে পড়ে পাঁচ উইকেট। শেষের দিকে করবিন বশের ব্যাটে ভর করে কোনওক্রমে ১৫০-র গণ্ডি পার করে পল্টনরা। ২০ ওভার শেষে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের স্কোর সাত উইকেটে ১৫৫ রান। পল্টন বোলাররা এই রান ডিফেন্ড করতে পারেন, না গুজরাত মুম্বইয়ের টানা ছয় ম্যাচ জয়ের ধারা ভাঙে, সেটাই এবার দেখার বিষয়।

 

এদিন টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন গুজরাত টাইটান্স অধিনায়ক শুভমন গিল। শুরুতেই নতুন দুই টাইটান্স বোলার দুই সাফল্য এনে দেওয়ায় ব্যাকফুটে চলে যায় মুম্বই। ফের একবার বাঁ-হাতি ফাস্ট বোলারের বিরুদ্ধে রোহিতের দুর্বলতা সামনে উঠে আসে। এ মরশুমে তৃতীয়বার বাঁ-হাতি বোলারের বিরুদ্ধে আউট হলেন রোহিত। মুম্বইয়ের অবস্থা আরও খারাপ হতে পারত যদি গুজরাত ফিল্ডাররা ক্যাচ ধরতে পারতেন। দুইবার জীবনদান পান জ্যাকস ও একবার সূর্যকুমারের ক্যাচ পড়ে। এর খেসারতও দিতে হয় টাইটান্সদের।

জ্যাকস ও সূর্যকুমার দুরন্ত গতিতে ব্যাটিং করছিলেন। মাত্র ২৯ বলে বলে নিজের অর্ধশতরান পূরণ করেন জ্যাকস। দুইজনে অর্ধশতরানের পার্টনারশিপও গড়েন। সাই কিশোর ৩৫ রানে সূর্যকুমারকে আউট করলেই ম্যাচের মোড় ঘুরে যায়। রশিদ খান ৫৩ রানে জ্যাকসকে আউট করেন। পরের পর উইকেট হারাতে থাকে মুম্বই। মুহূর্তেই ৯৭ রানে দুই উইকেট থেকে ১২৩ রানে সাত উইকেট পড়ে যায়। এমন পরিস্থিতিতে পল্টনরা ১৫০ রানও করতে পারবেন না বলে মনে হচ্ছিল। তবে ইনিংসের শেষ ওভারে করবিন বশের ব্যাট চলে। ১৮ রান উঠে ওভার থেকে। শেষমেশ কোনওক্রমে ১৫০-র গণ্ডিও পার করে পল্টনরা। গুজরাতের হয়ে দুই উইকেট নিয়ে সফলতম বোলার সাই কিশোর।