বেঙ্গালুরু: এক সময় মনে হচ্ছিল আরসিবি (RCB vs PBKS) হয়তো ৬০ রানের গণ্ডিও পার করতে পারবে না। তাসের ঘরের মতো ভাঙছিল ব্যাটিং। তবে শেষমেশ একাই লড়লেন টিম ডেভিড (Tim David)। ২৬ বলে দুরন্ত ৫০ রানের ইনিংস খেললেন তিনি। তবে বাকিদের ব্যর্থতায় ১৪ ওভারের ১০০ রানের গণ্ডিও পার করতে পারল না আরসিবি। ইনিংস থামল ৯৫/৯।
এদিন বৃষ্টির জন্য দীর্ঘ সময় ম্যাচ শুরুই করা যায়নি। তবে বেঙ্গালুরুর মাঠে জলনিকাশি ব্যবস্থা বিশ্বমানের। তাই বৃষ্টি থামলেই যে ম্যাচ শুরু করা যাবে, সেই সম্ভাবনা ছিলই। হয়ও তাই। তবে বৃষ্টির জেরে ম্যাচের ওভারের পরিমাণ কমে আসে। ১৪ ওভার করে দুই ইনিংসে খেলা হবে বলে নির্ধারিত হয়। ম্যাচে টস জিতে প্রথমে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন পঞ্জাব কিংস অধিনায়ক শ্রেয়স আইয়ার। এই ম্যাচে তারকা গ্লেন ম্যাক্সওয়েলকে ছাড়াই মাঠে নামে পঞ্জাব।
আরসিবির বিরুদ্ধে প্রথমে বোলিং করার সিদ্ধান্ত যে সঠিক ছিল, তা শুরু থেকেই প্রমাণ করেন পঞ্জাব বোলাররা। নতুন বল হাতে এই ম্যাচের আগে পাওয়ার প্লেতে মাত্র একটি সাফল্য পেয়েছিলেন অর্শদীপ সিংহ। তবে আজ দুই আরসিবি ওপেনার ফিল সল্ট ও বিরাট কোহলিকে ফেরান অর্শদীপ। জাভিয়ের বার্টলেট লিয়াম লিভিংস্টোনকে ফেরান। পাওয়ার প্লের চার ওভারে ২৬ রানে তিন উইকেট হারায় আরসিবি। তবে পাওয়ার প্লে শেষ হলেও, উইকেট পড়ার ধারা কমেনি।
ক্রুণাল, জীতেশ শর্মারা ম্যাচে প্রভাবই ফেলতে পারেননি। যুজবেন্দ্র চাহাল নিজের পরিচিত মাঠে প্রাক্তন দলের বিরুদ্ধে স্পিন ভেল্কিতে সকলকেই বিপাকে ফেলেন। রজত পাতিদারকে ২৩ রানে ফেরান তিনিই। মনোজ ভাঙড়ে যখন মার্কো জানসেনের বলে আউট হন, তখন আরসিবির স্কোর সাত উইকেটের বিনিময়ে ৪২ রান। এমন পরিস্থিতিতে আরসিবি আদৌ কত রান তুলতে পারবে সেই নিয়ে সংশয়ে ছিলেন অনেকে। তবে টিম ডেভিড প্রমাণ করে দিলেন কেন তাঁকে বিশ্বের সেরা টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটারদের মধ্যে গণ্য করা হয়।
এই পিচে যেখানে অপর ব্যাটাররা ব্যাটে বলে করতেই বিপাকে পড়ছিলেন, সেখানে ব্যাট হাতে ঝড় তোলেন ডেভিড। তিনি বিধ্বংসী মেজাজে অর্ধশতরান পূরণ করেন। ইনিংসের শেষ ওভারে তিন ছক্কা হাঁকান ডেভিড। তাঁর দৌলতেই ৯৫ রান পর্যন্ত পৌঁছয় আরসিবি। এই রান জয়ের জন্য যথেষ্ট হয় কি না, এবার সেটাই দেখার বিষয়।