আমদাবাদ: পুঁজি ছিল ১৬৮ রান। নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে এই রান একেবারেই খুব একটা বেশি নয়। তবে অনবদ্য বোলিংয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদকে এই রানও তুলতে দিল না গুজরাত টাইটান্স (GT vs SRH)। শুধু তাই নয়, ১৬৮ রানের পুঁজি নিয়ে ৮২ রানের বড় ব্যবধানে জয় পেল টাইটান্সরা। রানের নিরিখে নিজেদের আইপিএল ইতিহাসের সবথেকে বড় ব্যবধানে জয় পেল টাইটান্সরা। এই জয়ের সুবাদে আইপিএলের (IPL 2026) প্লে-অফে পৌঁছনোর দোরগোড়ায় চলে গেল টাইটান্সরা। সৌজন্যে টাইটান্সের দুরন্ত বোলিং। বল হাতে কাগিসো রাবাডা (Kagiso Rabada) ও জেসন হোল্ডার তিনটি করে উইকেট নিয়ে দলকে জেতালেন। 

Continues below advertisement

এদিন অল্প রানের পুঁজি নিয়ে মাঠে নেমে শুরু থেকেই নতুন বলে আগুন ঝরান টাইটান্সের বোলাররা। প্রথম ওভারেই সানরাইজার্সের বিধ্বংসী ওপেনার ট্র্যাভিস হেডকে খাতা খোলার আগেই সাজঘরে ফেরান মহম্মদ সিরাজ। পরের ওভারেই কাগিসো রাবাডা সাজঘরে ফেরত পাঠান অপর ওপেনার অভিষেক শর্মাকে। তাঁর সংগ্রহ ছয়। এরপরে পাওয়ার প্লের মধ্যেই ঈশান কিষাণ ও আর স্মরণকেও সাজঘরের রাস্তা দেখান রাবাডা। দুই বাঁ-হাতি ব্যাটারের সংগ্রহ যথাক্রমে ১১ ও নয় রান। টাইটান্সরা যেখানে পাওয়ার প্লেতে ৩৪ রানে দুই উইকেট হারিয়েছিল, সেখানে সানরাইজার্সরা একই রানে চার উইকেট হারায়।

আরও পড়ুন:- সুদর্শন, সুন্দরের অর্ধশতরান সত্ত্বেও SRH-র বিরুদ্ধে কোনওরকমে ১৫০ রানের গণ্ডি পার করল GT 

Continues below advertisement

তবে রাবাডাদের নতুন বলের আগ্রাসী স্পেলে ব্যাকফুটে চলে গেলেও সানরাইজার্স সমর্থকরা তখনও আশা হারাননি, কারণ তখন ক্রিজে উপস্থিত ছিলেন হেনরিখ ক্লাসেন। চলতি মরশুমে ধারাবাহিকভাবে ক্লাসেন রান করে গিয়েছেন, দলের হয়ে একের পর এক গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেছেন। 'অরেঞ্জ আর্মি' আশা করছিল, এদিনও তেমন কিছুই হবে। তবে তা আর হল কই। শুরুতে যেখানে রাবাডা বল হাতে আগুন ঝরান, মিডল ওভারে সেখানে জেসন হোল্ডার টাইটান্সদের কফিনে পেরেক পোঁতেন। তিনি ক্লাসেনকে ১৪, নীতীশ কুমার রেড্ডিকে দুই এবং শিবাঙ্গ কুমারকে চার রানে আউট করেন। কামিন্স খানিকটা ব্যাট চালিয়ে দলের পরিস্থিতি শুধরানোর চেষ্টা করলেও, তাতে লাভের লাভ কিছুই হয়নি। ৮৬ রানেই অল আউট হয়ে যায় সানরাইজার্স। নরেন্দ্র মোদি স্টেডিয়ামে সানরাইজার্সের প্রথম জয়ের স্বপ্ন অধরাই রয়ে গেল।

অপরদিকে, এই জয়ের সুবাদে লিগ তালিকার শীর্ষে পৌঁছে গেল টাইটান্স। প্লে-অফের দোরগোড়ায় টাইটান্সরা। প্রথম সাত ম্যাচে মাত্র তিনটি জিতলেও, নাগাড়ে পাঁচ ম্যাচ জিতে টাইটান্সরা আপাতত প্লে-অফের দৌড়ে দারুণ জায়গায়।