নাগপুর: ২৪ ডিসেম্বর শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে হোম সিরিজ শেষ হচ্ছে। ২৭ তারিখই দক্ষিণ আফ্রিকা সফর ভারতীয় ক্রিকেট দলের। সেখানে তিনটি টেস্ট, ৬টি একদিন ও তিনটি টি-২০ আন্তর্জাতিক ম্যাচ খেলতে হবে। এহেন ঠাসা সফরসূচির পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার বিরাট কোহলির খেদ, দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য প্রস্তুতির সময়ই পাচ্ছেন না তাঁরা। আগামীকাল নাগপুরে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে দ্বিতীয় টেস্ট শুরুর প্রাক্কালে ভারতীয় অধিনায়ককে তিনি বাউন্স ভরা পিচ চেয়েছেন কিনা, প্রশ্ন করা হলে বিরাট বলেন, হ্যাঁ। কেননা দুর্ভাগ্যের ব্যাপার হল, চলতি সিরিজ শেষ হওয়ার পর দক্ষিণ আফ্রিকা রওনা হওয়ার আগে মাত্র দুটো দিন পাচ্ছি। হাতে কোনও বিকল্প নেই। পরিস্থিতি অনুযায়ীই চলতে হবে। পুরো একটা মাস হাতে পেলে ক্যাম্প করে যথাযথ প্রস্তুতির সুযোগ মিলত। যা অবস্থা, তার মধ্যেই কাজ চালিয়ে নিতে হবে। কোহলি বড় সিরিজের জন্য টিমকে তৈরি হওয়ার সময় দিতে একাধিক সিরিজের মাঝখানে ব্যবধান রাখার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। বলেন, যথারীতি সময়ের অভাব। আমার মনে হয়, ভবিষ্যতে খতিয়ে দেখা দরকার ব্যাপারটা। বিদেশ সফরের সময় সেখানকার দলটা কেমন সহজে বুঝে নেই, কিন্তু আমরা নিজেদের তৈরি করতে কতটা সময় পেলাম, তা দেখি না। আর টেস্টের ফল দেখে সবাই প্লেয়ারদের বিচার শুরু করে দেয়। কিন্তু আগে উপযুক্ত সময়, সুযোগ দেওয়া উচিত, যেখানে ঠিকমতো প্রস্তুতির সুযোগ মিলবে। তারপরই আমাদের সমালোচনা করার এক্তিয়ার জন্মায়। সুতরাং আমাদের সানে নিজেদের চ্যালেঞ্জ করার, দক্ষিণ আফ্রিকার পরিস্থিতির সামনাসামনি হওয়ার ভাল সুযোগ এসেছে বলে মনে হয়। প্রসঙ্গত, আইপিএল থেকে একটানা খেলেই চলেছেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা। এদিকে কোহলির বক্তব্য প্রসঙ্গে বিসিসিআইয়ের অস্থায়ী সভাপতি সি কে খন্নার বক্তব্য, বিরাট ভারতীয় দলের অধিনায়ক। ক্রিকেটের ব্যাপারে ওঁর মতামতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিতে হবে। টিমের পারফরম্যান্সে আমরা গর্বিত। কিন্তু প্লেয়াররা ক্লান্ত, অবসন্ন বোধ করছে। সমস্যাটা আরও খোলা মনে দেখা প্রয়োজন। ভবিষ্যতে হোম সিরিজের ক্ষেত্রে বোর্ডকে এ ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে হবে বলে জানান তিনি। বলেন, কোনও বিরতি না দিয়ে পরপর তিনটে সিরিজ খেলা ঠিক কিনা, ভেবে দেখতে হবে। ৯ ডিসেম্বরের বিশেষ সাধারণ বৈঠকের এজেন্ডায় বিষয়টা থাকলে ভাল হয়।