নয়া দিল্লি : ১৪ বছর আগে আজকের দিনেই প্রথম টি২০ বিশ্বকাপ জিতে নিয়েছিল মহেন্দ্র সিংহ ধোনির নেতৃত্বাধীন ভারত। '৮৩-র পর ফের একবার বিশ্বকাপ জয়ের গন্ধে বুঁদ হয়ে উঠেছিল ভারত। দক্ষিণ আফ্রিকার মাটিতে ইতিহাস রচনা করে ভারতীয় ক্রিকেট দল।
ফাইনালে ভারত-পাকিস্তান দ্বৈরথ। টান টান সেই ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয় জোহানেসবার্গে। পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ওই ম্যাচে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নামে ভারত। চোটের কারণে ম্যাচ থেকে ছিটকে গিয়েছিলেন বীরেন্দ্র সহবাগ। ওপেন করতে নামেন ইউসুফ পাঠান ও গৌতম গম্ভীর। একটি চার ও একটি ছয় সহযোগে ১৫ রান তোলেন ইউসুফ। কিন্তু, শীঘ্রই তাঁকে তৃতীয় ওভারে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান মহম্মদ আসিফ। ৮ রানের মাথায় ফিরে যান রবিন উত্থাপ্পাও। সেই সময় স্কোর বোর্ডে ভারত ২ উইকেট খুইয়ে ৪০ রান তুলেছে।
এর পর হাল ধরেন গম্ভীর ও যুবরাজ সিংহ। চতুর্থ উইকেটে এই জুটি ৬৩ রান তোলে। যদিও ঘন ঘন উইকেট হারাতে থাকে মেন ইন ব্লু-রা। ১৪ তম ওভারে ব্যক্তিগত ১৪ রানের মাথায় ফিরে যান যুবরাজ। অবশ্য গড় আগলে রাখেন গম্ভীর। মাত্র ৫৪ বলে ৭৫ রানের ইনিংস খেলেন গৌতম। ৮টি চার ও ২টি ছক্কা সহযোগে সাজানো ছিল তাঁর ইনিংস। শেষের দিকে ঝড় তোলেন রোহিত শর্মা। মাত্র ১৬ বলে ৩০ রানের ঝকঝকে ইনিংস খেলেন তিনি। ভারত ৫ উইকেটে ১৫৭ রান তোলে।
এর পর শুরু হয় বোলারদের ভেল্কি। শাহিদ আফ্রিদি, ইউনিস খান, শোয়েব মালিক-পাকিস্তানের তারকা ব্যাটসম্যানদের এক একে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠানো হয়। কিন্তু, হাল ছাড়েননি মিসবা উল হক। ভারতীয় বোলারদের আক্রমণ করতে থাকেন। ফাইনালে ওভারে পাকিস্তানের জিততে ১৩ রান প্রয়োজন ছিল। যোগিন্দর শর্মার হাতে বল তুলে দেন ধোনি। তৃতীয় বলে স্কুপ মারতে গিয়ে শ্রীসন্থের হাতে সাধারণ ক্যাচ তুলে দেন মিসবা। ফলস্বরূপ, ৫ রানে ফাইনাল ম্যাচ জিতে নেয় ভারত। ঘরে নিয়ে আসে প্রথম টি২০ বিশ্বকাপ। এর পরও ধোনির নেতৃত্বে ভারত আরও ২টি আইসিসি ট্রফি জিতেছে। ২০১১ সালে একদিনের টুর্নামেন্টে বিশ্বকাপ ও ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি।