নয়াদিল্লি: জাতীয় অ্যান্টি-ডোপিং এজেন্সির (NADA) নজরে ভারতের দুই তারকা ক্রিকেটার! রিপোর্ট অনুযায়ী শেফালি বর্মা (Shafali Verma) ও যশস্বী জয়সওয়াল (Yashasvi Jaiswal) নিজেদের ডোপ পরীক্ষা দেননি। এরপরেই ভারতের এই দুই তারকার সন্দেহ আওতায় এসে পড়েছেন বলে খবর।
নাডার রেজিস্টার্ড টেস্টিং পুলের অধীনে থাকা ক্রিকেটারদের নিজেদের গতিবিধি সম্পর্কে সবসময় জানাতে হয়। দিনের একটি নির্দিষ্ট সময় ডোপ পরীক্ষার জন্য বাছাই করা হয়। এরপরে এই লিস্টে থাকা ক্রিকেটাররা সেই সময় কোথায় রয়েছেন, সেই অবস্থান নিত্যদিন জানাতে হয়, যাতে হঠাৎ করেই যে কোনও দিন ডোপ পরীক্ষা নেওয়া আধিকারিকরা তাঁদের পরীক্ষা নেওয়ার জন্য উপস্থিত থাকতে পারেন। পর পর তিনবার নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে ভুল তথ্য এবং এক বছরের মধ্যে যদি ডোপ পরীক্ষার জন্য নমুনা না দেওয়া হয়, তাহলে কড়া শাস্তি হতে পারে।
CricketAddictor-র রিপোর্ট অনুযায়ী অ্যান্টি ডোপিং নিয়ম অনুযায়ী নিজেদের অবস্থান সম্পর্কে নাডাকে যশস্বী ও শেফালি সঠিক তথ্য দেননি। তারপরেই তাঁদের নোটিস ধরানো হয়েছে। অবশ্য দুইজনেই প্রথমবার এমনটা করেছেন। তাই খবর অনুয়ায়ী নোটিস ধরানো হলেও, তাঁদের নিজেদের দিকটা ব্যাখ্যা করার সুযোগ দেওয়া হবে। এই নোটিস পাওয়া বা প্রথমবার পরীক্ষা না দেওয়ার মানে কিন্তু তাঁরা যে দোষী, তা একেবারেই প্রমাণিত হয় না। তবে নিজেদের এই অনুপস্থিতির সঠিক কারণ ব্যাখা করতে না পারলে কিন্তু দুই বছর পর্যন্ত নির্বাসিত পর্যন্ত হতে পারেন অ্যাথলিটরা। অবশ্য যশস্বী বা শেফালি, কারুর তরফেই এখনও পর্যন্ত এই নোটিস পাওয়ার বিষয়টা স্বীকার করা বা সেই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করা হয়নি।
প্রসঙ্গত, নাডার তরফে বিভিন্ন ক্রীড়াক্ষেত্রের মোট ৩৪৮ জন অ্যাথলিটকে এই আরটিপির তালিকাভুক্ত করা হয়েছে যার মধ্যে মোট ১৪ জন ক্রিকেটার রয়েছেন। অতীতে শ্রেয়স আইয়ার এবং স্মৃতি মান্ধানাও এই তালিকায় ছিলেন। তবে তাঁদের পরিবর্তে রস্টারে অক্ষর এবং অভিষেককে যুক্ত করা হয়েছে। এই তালিকায় এঁরা বাদেও ভারতীয় ক্রিকেট অধিনায়ক শুভমন গিল, হার্দিক পাণ্ড্য, কেএল রাহুল, যশপ্রীত বুমরা, ঋষভ পন্থের মতো তারকা ক্রিকেটাররা আগে থেকেই রয়েছেন। ভারতীয় মহিলা ক্রিকেটারদের মধ্যে দীপ্তি শর্মা, রেণুকা ঠাকুরও এই তালিকার অন্তর্ভুক্ত।
