কলকাতা: টি-২০ বিশ্বকাপে পাকিস্তানকে উড়িয়ে দিল ভারত। পাকিস্তানকে ৬১ রানে হারাল ভারত। পাকিস্তানকে হারিয়ে সুপার-৮-এ পৌঁছে গেল ভারত। বুমরাহ, অক্ষর ও বরুণ চক্রবর্তী, হার্দিকের ২টি করে উইকেট। ৪০ বলে ৭৭ রানের দুরন্ত ইনিংস ঈশান কিষাণের। ভারতের ১৭৫ রানের জবাবে ১১৪ রানেই অলআউট পাকিস্তান। 

Continues below advertisement

দুই দলের মধ্যে ১৭তম টি-টোয়েন্টি। দুই দেশ শেষবার ২০২৫ সালের এশিয়া কাপের ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল, যেখানে ভারত পাকিস্তানকে পাঁচ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করেছিল। শেষ ৬টাতেই পাকিস্তানকে হারিয়েছে ভারত।

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে ভারত পাকিস্তানের উপর আধিপত্য বিস্তার করেছে চিরকাল। ১২টিতে জয় ছিনিয়ে নিয়েছে ভারত, ৩ টিতে পাকিস্তান। 

Continues below advertisement

ভারত বনাম পাকিস্তানের ব্যাটিং এবং বোলিং রেকর্ড

আমদাবাদ (২০১২)- ভারতের সর্বোচ্চ রান ছিল-  ১৯২/৫ (২০ ওভার), পাকিস্তানের সর্বোচ্চ রান ছিল- ১৮২/৫ উইকেটে। 

সর্বাধিক রান- বিরাট কোহলি (ভারত)- ১১ ইনিংসে ৪৯২ রান, গড় ৭০.২৮, স্ট্রাইক রেট- ১২৩.৯২। মহম্মদ রিজওয়ান ৫ ইনিংসে ২২৮ রান, গড় ৫৭, স্ট্রাইক রেট- ১১১.৭৬। বোলিংয়ে ঝড় তুলেছিলেন হার্দিক পাণ্ডিয়া। ৯ ইনিংসে ১৫ উইকেট নিয়েছেন তিনি। বোলিংয়ে ভারতের সেরা স্পেল ভুবনেশ্বর কুমার- ৪/২৬ (দুবাই, ২০২২), আর পাকিস্তানের মোহাম্মদ আসিফ ৪/১৮ (ডারবান, ২০০৭)। 

এদিনের ম্যাচে টসে জিতে পাক অধিনায়ক ভারতকে ব্যাট করতে পাঠান। ওপেনার অভিষেক শর্মা ফিরে যান শূন্য রানে। ৪০ বলে ৭৭ রানের ইনিংস খেলে আউট হন ঈশান কিষন। দশটি চার এবং তিনটি ছক্কায় সাজানো ছিল তাঁর ইনিংস। অধিনায়কন সূর্য করেন ৩২। তিলক ভর্মার ২৫ এবং শিবম দুবের ২৭ রানে ভর করে সম্মানজনক রানে পৌঁছয় ভারত। তিনটি উইকেট নেন আয়ুব। একটি করে উইকেট নিয়েছেন পাক অধিনায়ক সলমান আলী আঘা, শাহীন আফ্রিদি এবং উসমান তারিক।

অন্যদিকে, রান তাড়া করতে নেমে প্রথম দুই ওভারেই ধাক্কা খায় পাকিস্তান। প্রথম ওভারে হার্দিক এবং দ্বিতীয় ওভারে বুমরাহ নেন জোড়া উইকেট। বাবর আজম বোল্ড হন অক্ষর প্যাটেলের বলে। ৩৪ বলে ৪৪ রান করে ড্রেসিং রুমে ফেরেন উইকেটরক্ষক উসমান খান। অক্ষরের বলে তাঁকে স্ট্যাম্প আউট করেন ঈশান। পরের ওভারে আরও এক উইকেট তুলে নেন কুলদীপ যাদব। পাকিস্তানকে সপ্তম ধাক্কা দেন তিলক ভর্মা। ১৬ তম ওভারে বল করতে এসে পাকিস্তানকে জোড়া ধাক্কা দেন বরুণ চক্রবর্তী। ১৮ ওভারের পুরো পাক দল সাজঘরে ফিরে যায়। হার্দিক, অক্ষর, বুমরাহ, বরুণরা দুটি করে উইকেট পেয়েছেন।