Cognizant: একের পর এক চমকে দেওয়ার মত খবর দিচ্ছে কগনিজেন্ট (Cognizant) কর্তৃপক্ষ। সম্প্রতি ৩৫০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের (Layoffs) কথা ঘোষণা করেছে এই সংস্থা। এর পাশাপাশি কর্মীদের অফিসে এসে কাজ করার ব্যাপারে রীতিমতো হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। এবার শোনা যাচ্ছে, বিভিন্ন generative AI tools-এ বিনিয়োগ করতে চলেছে কগনিজেন্ট সংস্থা। অর্থাৎ এবার ChatGPT-র মতো বিষয়ে বিনিয়োগ করবে কগনিজেন্ট কর্তৃপক্ষ। একথা প্রকাশ্যে আসার পর থেকেই অনুমান করা হচ্ছে যে আগামী দিনে তাহলে কাজের অভাব হতে পারে মানুষের। কারণ আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স মানুষের তুলনায় অনেক দক্ষ ও দ্রুত গতিতে কাজ করে। সেক্ষেত্রে গুরুত্ব হারাতে পারে কর্মীদের কর্মদক্ষতা। 


তথ্য প্রযুক্তি সংস্থায় ব্যাপক হারে কর্মী ছাঁটাই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে গতবছর অর্থাৎ ২০২২ সালের শেষভাগ থেকেই। একাধিক কোম্পানি থেকে ইতিমধ্যেই ব্যাপক হারে কর্মী ছাঁটাই হয়েছে। সেই তালিকাতেই এবার নাম জুড়তে চলেছে কগনিজেন্টের। শোনা গিয়েছে, খুব তাড়াতাড়ি প্রায় ৩৫০০ কর্মীকে পিঙ্ক স্লিপ (Pink Slip) ধরাতে পারে। অর্থাৎ কগনিজেন্ট থেকে প্রায় ৩৫০০ কর্মী চাকরি খোয়াতে পারেন। খরচ নিয়ন্ত্রণের জন্যই এই পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে কগনিজেন্ট কর্তৃপক্ষ। এর পাশাপাশি বেশ কিছু অফিসও বন্ধ করতে চলেছে এই সংস্থা। সূত্রের খবর, অফিস স্পেসের নিরিখে ১১ মিলিয়ন বর্গ ফুট এলাকা ছেড়ে দেবে কগনিজেন্ট। যেনতেনপ্রকারেণ খরচ নিয়ন্ত্রণ করাই এখন সংস্থার মূল লক্ষ্য। ২০২৩ সালে কোম্পানির আয়ের পরিমাণ হ্রাস হয়েছে। তথ্য-প্রযুক্তি ইন্ডাস্ট্রিতে তাদের মার্জিনও ঠেকেছে একেবারে তলানিতে, ১৪.৬ শতাংশে। আর এইসব মিলিয়েই এবার কর্মী ছাঁটাই করতে চলেছে কগনিজেন্ট সংস্থা। ভারত থেকে কত কর্মী চাকরি খোয়াতে পারেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। 


আইবিএমে কর্মী ছাঁটাই এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সে আগ্রহ


ক্রমশ জনপ্রিয় হচ্ছে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স (Artificial Intelligence) বা এআই (AI)। শোনা যাচ্ছে, আইবিএম (IBM) সংস্থা এবার কর্মীদের পরিবর্তে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সাহায্যেই কাজ করতে আগ্রহী হয়েছে। আইবিএম- এর সিইও অরবিন্দ কৃষ্ণ জানিয়েছেন, তাঁদের সংস্থা নির্দিষ্ট কিছু পদে কর্মীর পরিবর্তে এআই এর সাহায্যে কাজ করাতে ইচ্ছুক। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে আইবিএম কোম্পানিতে এমনই ট্রেন্ড আসতে চলেছে বলে শোনা যাচ্ছে। ব্লুমবার্গকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অরবিন্দ কৃষ্ণ জানিয়েছেন মূলত ব্যাক অফিসের কাজকর্ম এবং হিউম্যান রিসোর্স বিভাগে কর্মীদের পরিবর্তে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের সাহায্যে কাজ হবে। এইসব বিভাগের মোট ওয়ার্ক ফোর্সের প্রায় ৩০ শতাংশ অধিগ্রহণ করবে প্রযুক্তি। শোনা যাচ্ছে, প্রায় ৭৮০০ কর্মীর পরিবর্তে নির্দিষ্ট বিভাগে কাজ করতে পারে আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স। বর্তমানে আইবিএমের কর্মী সংখ্যা ২ লক্ষ ৬০ হাজারের আশপাশে। চলতি বছরের শুরুর দিকে প্রায় ৪০০০ কর্মী ছাঁটাইয়ের কথা ঘোষণা করেছিল আইবিএম কর্তৃপক্ষ। খরচ নিয়ন্ত্রণের জন্যই এই ছাঁটাইয়ের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল। 


আরও পড়ুন- পায়ের পেশীতে টান ধরলে কীভাবে যন্ত্রণা দূর করবেন? রইল কিছু ঘরোয়া টিপস