মেয়রের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে শোভন চট্টোপাধ্যায়ের, কী বললেন তিনি দেখে নেব...

মেয়রের পদ থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর প্রথম সাংবাদিক সম্মেলনে শোভন চট্টোপাধ্যায়। কী বললেন তিনি দেখে নেব...
শোভন বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী মেয়র পদ থেকে পদত্যাগ করতে বলেছিলেন। গতকাল ছুটি ছিল, আজ পুরসভা খোলার পর ইস্তফা দিয়েছি। আজ দুপুরে পুরসভার চেয়ারপার্সনের কাছে ইস্তফাপত্র দিয়েছি। কেউ অপরিহার্য নয়, পরবর্তী মেয়র যোগ্যতার সঙ্গেই কাজ সামলাবেন। মেয়র হতে গেলে পুরসভার কাউন্সিলর হতে হয়। কিন্তু আজ বিধানসভায় বিল এসেছে। সেই বিলে তাকে ৬ মাসের মধ্যে নির্বাচিত হতে হবে। যে সহযোগিতা আমি পেয়েছি, আমি তার জন্য কৃতজ্ঞ। কলকাতা পুরসভার ১৪৪ টি কেন্দ্রে বেশিরভাগ শাসক দলের কাউন্সিলর। আজ তৃণমূল কাউন্সিলরাই নেতা নির্বাচন করবেন। এখনও আমি ১৩১ নম্বর ওয়ার্ডের নির্বাচিত প্রতিনিধি। যদি ১৩১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে আমাকে পদত্যাগ করতে বলা হয়। সেই সিদ্ধান্তকেও আমি স্বাগত জানাবো। আমি দলের বাইরে নই, দলকে বিড়ম্বনায় ফেলব না। দল যা চাইবে, সেই পদক্ষেপই নেব। ব্যক্তিজীবনে আমি দলসর্বস্ব ছিলাম, দলের ক্ষতি করব না। দল যদি চায় আমার সহযোগীকে ১৩১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে নির্বাচিত করা হবে। তাহলে ১৩১ নম্বর ওয়ার্ড থেকে কাউন্সিলর পদ থেকে পদত্যাগেও রাজি। আমি এখনও বিধায়ক, কলকাতা পুরসভার কাউন্সিলর। পারিবারিক বিষয়টি আদালতের বিচারাধীন’
‘বৈশাখী আমার শুভানুধ্যায়ী। ইডি তদন্তের সময় বৈশাখীর সঙ্গেই আলোচনা করে রত্না। বৈশাখী আমাকে সুপরামর্শ দিয়েছিল। যাঁরা আমার বিরুদ্ধে বলছেন, তাঁরা কিছু আড়াল করার চেষ্টা করছেন। আমি কোনওমতেই শুভানুধ্যায়ীদের বিরুদ্ধে বেইমানি করতে পারব না। বৈশাখীকে নিয়ে যাবতীয় অভিযোগ অমূলক। পরিবার নিয়ে আমার সিদ্ধান্ত লুকিয়ে নয়, আড়াল করে নয়। কেন আমাকে পদত্যাগ করতে হল, কারণ আমি জানি না। কলকাতা পুরসভার কোনও ফাইল বৈশাখী স্পর্শ করেনি। আলিপুরের উত্তীর্ণতে তৃণমূল কাউন্সিলরদের বৈঠকে আমি ডাক পাই নি।’

JOIN US ON

Whatsapp
Telegram
Sponsored Links by Taboola