Anubrata Mondal: সীমান্তে গরুপাচার হলে আমার মক্কেলের ভূমিকা কোথায়?’, প্রশ্ন অনুব্রতর আইনজীবীর । Bangla News

 ১৪ দিনের সিবিআই হেফাজতের পর আসানসোল আদালতে ফের অনুব্রতকে পেশ। ‘আমি কি সিবিআই তদন্ত চাইতে পারি?’ বিচারকের হুমকি-চিঠি প্রসঙ্গে আইনজীবীকে বললেন অনুব্রত। আপনি চাইতেই পারেন, এটা আপনার অধিকার, জানালেন আইনজীবী। আদালতে অনুব্রতর জামিনের আবেদন। জামিনের আবেদন জানালেন অনুব্রতর আইনজীবী। শারীরিক অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে ফের জামিনের আবেদন। বাড়িতে রেখে চিকিৎসার নির্দেশের জন্য আদালতে আবেদন আনুব্রতর আইনজীবীর। ‘অক্সিজেনের প্রয়োজন হতে পারে অনুব্রতর’, বিচারককে জানালেন অনুব্রতর আইনজীবী। এজলাসে আনা হল অক্সিজেন সিলিন্ডার, নেবুলাইজার। অনুব্রতর পাশে রাখা আছে অক্সিজেন সিলিন্ডার। ‘কাল যা টিভিতে দেখেছি, তার বিচার করুন’। বিচারককে হাতজোড় করে বললেন অনুব্রত। হুমকির সঙ্গে মামলার সম্পর্ক নেই, পাল্টা বললেন বিচারক। ‘আমার পেশা নির্ভীকতার, আমি কোনও কিছু ভয় পাইনি, ভবিষ্যতের পাব না’, অনুব্রতকে থামিয়ে বললেন বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী। ‘বিচারব্যবস্থায় আমরা এভাবেই প্রশিক্ষিত হই। এই ধরনের ঘটনায় কোনও ফারাক পড়ে না’ মন্তব্য বিচারক রাজেশ চক্রবর্তীর।

‘সিবিআই এখনও তেমন কোনও তথ্যপ্রমাণ পায়নি। শুধু সন্দেহের বশে হেফাজতে চেয়েছে সিবিআই। অনুব্রতকে নিশানা করে তদন্ত করা হচ্ছে। কেন্দ্রীয় সরকারের নির্দেশে তদন্ত করছে সিবিআই। অনুব্রত একটা দল করে বলে তাঁকে নিশানা করা হচ্ছে। পশুহাট থেকে গরু কিনে সীমান্ত পার করা হলে আমার মক্কেলের ভূমিকা কোথায়?’ সীমান্ত দিয়ে গরু পাচার হলে তার দায়িত্ব বিএসএফের। আমার মক্কেল সেফ প্যাসেজ করে দিতেন, এর কোনও প্রমাণ নেই। শুধু একজন বিএসএফ কমান্ডান্টকে গ্রেফতার করা হয়েছে, আর কেউ গ্রেফতার হয়নি। সায়গল হোসেনের কোটি কোটি টাকার সম্পত্তি থাকলে আমার মক্কেলের কী দোষ? হিসাব বহির্ভূত সম্পত্তি পাওয়া গেলে আয়কর দফতরকে পেনাল্টি দিতে পারি’। ‘আমার মক্কেলকে সবাই চেনেন, মুখ্যমন্ত্রী আমাকে চেনেন, এটা কি দোষ? মামলার এফআইআরে নাম নেই অনুব্রত মণ্ডলের। প্রত্যেক বার সিবিআই প্রভাবশালীতত্ত্ব খাড়া করে। কিন্তু এর সপক্ষে কোনও প্রমাণ নেই। এফডি রয়েছে, ব্যাঙ্কে রেখেছে, আমার মক্কেল কিছু লুকোয়নি। কাল সিবিআই রেজিস্ট্রি অফিসে গিয়েছিল, আমার মক্কেলের নামে কিছু পেয়েছে?’, আদালতে সওয়াল অনুব্রতর আইনজীবীর।

JOIN US ON

Whatsapp
Telegram
Sponsored Links by Taboola