BJP News: 'মানুষের প্রাণ চলে যাচ্ছে, উনি কার প্রাণ প্রতিষ্ঠা করছেন কে জানে?' তীব্র কটাক্ষ সুকান্তর
ABP Ananda Live: 'পরপর আগুন লেগেই আছ, বড়বাজারে তো লেগেই আছে। এর কারণ হচ্ছে একটা বড় নেক্সাস। যে নেক্সাস স্থানীয় থানা এবং তার সঙ্গে প্রশাসন এবং কলকাতা পুরসভার যারা হত্তা, কত্তা-বিধাতা আছে । এরাজ্যে সমস্তটাই বেআইনি। যেভাবে বার থেকে শুরু করে, এই হোটেল তো সাধারণ মানুষের থাকার জায়গা। আমি জানিন না রাজ্যে কিছু আছে কিনা যে কারও বাড়ির পাশে এইভাবে কোনও বার হতে পারে কিনা? একদিকে স্কুল আছে, বাড়ি আছে, কীভাবে এখানে বার হয়? কোন রাজ্যে হয় আমি তো আগে দেখিনি'। বললেন সুকান্ত।
অগ্নিকাণ্ডে বড়বাজারের হোটেলে মৃত্যুমিছিল, আটক ম্যানেজার; এখনও বেপাত্তা মালিক
ঋতুরাজ হোটেলের একতলায় রয়েছে দোকান এবং গোডাউন। উপরের অংশে হোটেল। প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, সন্ধে সাড়ে সাতটা থেকে আটটা নাগাদ হোটেলের ১ তলার রান্নাঘর থেকে ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়। তারপর, গোটা হোটেলে ছড়িয়ে পড়ে ধোঁয়া। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে দমকলের ১০টি ইঞ্জিন। দীর্ঘক্ষণের চেষ্টায় অবশেষে নিয়ন্ত্রণে আসে আগুন। ভোররাত পর্যন্ত চলে সার্চ অপারেশন। অগ্নিকাণ্ডের পরেই উধাও হোটেল মালিক। ইতিমধ্যেই তার বিরুদ্ধে দায়ের করা হয়েছে FIR। তবে আটক করা হয়েছে হোটেল ম্যানেজারকে।
আগুনের জেরে এখনও পর্যন্ত দুই শিশু, এক মহিলা-সহ ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৮ জনের দেহ শনাক্ত করা হয়েছে। হোটেল থেকে অনেককেই উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় RG কর, NRS ও কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে। ২ জন কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন। মৃতদের মধ্য়ে অনেকেই ভিনরাজ্যের বাসিন্দা। প্রাণ বাঁচাতে পাইপ বেয়ে নামতে গিয়ে মৃত্যু হয় একজনের। কেউ কেউ ছাদের কার্নিস থেকে পড়ে যান। অন্ধকারে অনেকে সিঁড়ি দিয়ে নীচে নামার চেষ্টা করেছিলেন। ধোঁয়ায় দমবন্ধ হয়ে তাঁদের মৃত্যু হয়। হোটেলের ঘরে, শৌচাগারে,করিডরে এবং সিঁড়িতে দেহ মেলে।