Gourberia Sabojonin : থিম মাটি ও জীবন, এবিপি আনন্দর বিশেষ জুরি সম্মান জিতে নিল গৌরীবেড়িয়া সর্বজনীন

ABP Ananda LIVE : ৯২ তম বর্ষের থিম মাটি ও জীবন। এবিপি আনন্দর বিশেষ জুরি সম্মান জিতে নিল গৌরীবেড়িয়া সর্বজনীন।

আরও পড়ুন...

অষ্টমীতে বসানো হয় জলঘড়ি, দেবী দুর্গার মূর্তিতে রয়েছে অবাক করা বৈশিষ্ট্য এই বাড়ির দুর্গাপুজোয়

শৈব, শাক্ত ও বৈষ্ণব মত মিলিত হয় এই পুজোয়। এখানে দেবী পূজিত হন কালিকা পূরাণ মতে। অষ্টমীতে এখনও এখানে বসানো হয় জল ঘড়ি। ৪০০ বছর পার করল হরিপালের সাতবাড়ি রায় বংশীয় দূর্গাপুজো। এখনও এখানে প্রাচীন রীতিনীতি মেনে নিষ্ঠার সঙ্গে পালিত হয় দুর্গাপুজো।

হাওড়া - তারকেশ্বর মেইন লাইনের হরিপাল স্টেশন থেকে দক্ষিণদিকে ১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত রায়দের জমিদার বাড়ি। পরিবারের প্রবীণ ব্যক্তি প্রশান্ত কুমার রায় এর বক্তব্য অনুযায়ী, আজ থেকে প্রায় ৫০০ বছর আগে তাদের বংশের পূর্বপুরুষ শিবদাস রায় এখানে জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেন। ধর্মপ্রাণ শিবদাস রায় তার জমিদারিতে একাধিক শিব মন্দির গড়ে তোলেন। কালের নিয়মে একাধিক শিব মন্দির ধ্বংস হয়ে গেলেও এখনও চারটে শিব মন্দির ভগ্নপ্রায় অবস্থায় দাঁড়িয়ে। শিব মন্দিরের গায়ে প্রাচীন টেরাকোটার অপরূপ নিদর্শন  জানান দেয় তার শিকড়ের কথা।

পরবর্তীকালে তৈরি হয় রাধা গোবিন্দের মন্দির, দোল মঞ্চ, রাস মঞ্চ। কিন্তু তখনও এখানে দুর্গা পূজার প্রচলন ছিল না। শিবদাস রায়ের সাত ছেলে। তার মধ্যে চারজন ছিলেন বৈষ্ণব মতাদর্শী আর অন্যরা ছিলেন শিবের উপাসক।‌ সাত ছেলের হাত ধরে ১৬০০ খ্রীষ্ট্রাব্দে শুরু হয় দুর্গাপূজো। দুর্গা দালান তৈরি করে এক চালচিত্রে দূর্গা পুজো শুরু। বর্তমানে রায় বংশের দৌহিত্র্য ও পৌত্ররা এই পুজো দেখভাল করে আসছেন। পুজো পরিচালনা হয়, সাতবাড়ি রায়বংশীয় শ্রী শ্রী  রাধাগোবিন্দ জীউ দেবত্তর এস্টেট কর্তৃক।

JOIN US ON

Whatsapp
Telegram
Sponsored Links by Taboola